• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Giorgia Meloni Donald Trump

ট্রাম্পের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ জর্জিয়া মেলোনি, ‘আমি বা ইতালি কখনও কারও কাছে ভিক্ষা চায় না’

জি-৭ সম্মেলনে ছবি তোলা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তিনি ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “আমি বা ইতালি কখনও কারও কাছে ভিক্ষা চায় না।”

ট্রাম্পের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ জর্জিয়া মেলোনি, ‘আমি বা ইতালি কখনও কারও কাছে ভিক্ষা চায় না’

Giorgia Meloni Donald Trump

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 20, 2026 11:22 am
  • Update:June 20, 2026 11:22 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন কূটনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি প্রকাশ্যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন, “আমি বা ইতালি কখনও কারও কাছে ভিক্ষা (Giorgia Meloni Donald Trump) চায় না।” তাঁর এই প্রতিক্রিয়া আসে ট্রাম্পের সেই দাবির পর, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন যে জি-৭ সম্মেলনে মেলোনি তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ‘অনুরোধ’ বা ‘ভিক্ষা’ করেছিলেন।

সম্প্রতি ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের পর একটি ইতালীয় টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, মেলোনি তাঁর সঙ্গে ছবি তুলতে খুবই আগ্রহী ছিলেন এবং বারবার অনুরোধ করেছিলেন। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি নাকি সহানুভূতি দেখিয়েই সেই ছবি তুলতে রাজি হয়েছিলেন। এই মন্তব্য দ্রুত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে ওঠে।

এর জবাবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি ট্রাম্পের বক্তব্যকে “সম্পূর্ণ মনগড়া” এবং “বাস্তবতাবিবর্জিত” বলে দাবি করেন। মেলোনি বলেন, একজন মিত্র দেশের নেতার কাছ থেকে এমন মন্তব্য অত্যন্ত বিস্ময়কর। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “ইতালি এবং আমি কখনও কারও কাছে ভিক্ষা চাই না।”

এই ঘটনায় ইতালির রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইতালির বিদেশমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি ট্রাম্পের মন্তব্যকে দেশের প্রতি অপমান বলে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছেন। সরকার ও বিরোধী শিবিরের বহু নেতা মেলোনির পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ট্রাম্পের মন্তব্যের নিন্দা করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এবং মেলোনির সম্পর্ক একসময় বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল। তবে চলতি বছরে ইরান যুদ্ধ, ন্যাটো এবং পশ্চিমা কূটনীতি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে দুই নেতার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এই নতুন বিতর্ক সেই দূরত্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলল।

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের মতে, এই ধরনের প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ শুধু দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সম্পর্কের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এখন নজর থাকবে এই বিতর্ক ভবিষ্যতে কোন দিকে মোড় নেয়।

আরও খবর