• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Rupert Lowe UK MP

‘ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা আমাদের চাকরি নিয়ে নিচ্ছে’, বিতর্কে ব্রিটিশ সাংসদ রুপার্ট লো! কে এই নেতা?

‘ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা আমাদের চাকরি নিয়ে নিচ্ছে’— এমন মন্তব্য করে বিতর্কে ব্রিটিশ সাংসদ রুপার্ট লো। কে এই নেতা এবং কেন তাঁকে ঘিরে এত আলোচনা, জেনে নিন।

‘ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা আমাদের চাকরি নিয়ে নিচ্ছে’, বিতর্কে ব্রিটিশ সাংসদ রুপার্ট লো! কে এই নেতা?

Rupert Lowe UK MP

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 16, 2026 11:19 am
  • Update:June 16, 2026 11:19 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: ভারতীয় ও পাকিস্তানি অভিবাসীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে শিরোনামে উঠে এসেছেন ব্রিটেনের সাংসদ রুপার্ট লো (Rupert Lowe UK MP)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, বিপুল সংখ্যক বিদেশি কর্মী ব্রিটিশ নাগরিকদের চাকরির সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

রুপার্ট লো বর্তমানে ব্রিটেনের ডানপন্থী রাজনৈতিক শিবিরের অন্যতম পরিচিত মুখ। তিনি ইংল্যান্ডের গ্রেট ইয়ারমাউথ কেন্দ্রের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন এবং অভিবাসন নীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও ব্রিটিশ পরিচয় রক্ষার মতো বিষয়গুলিতে বরাবরই সরব।

ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত রুপার্ট লো দীর্ঘদিন কর্পোরেট জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ইংলিশ ফুটবল ক্লাব সাউদাম্পটন এফসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনীতিতে প্রবেশের পর থেকেই কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লো অভিযোগ করেন যে ভারত, পাকিস্তান-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কর্মীরা ব্রিটিশ শ্রমবাজারে বড় প্রভাব ফেলছেন। তাঁর দাবি, কম মজুরিতে কাজ করতে রাজি থাকায় বিদেশি কর্মীরা স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছেন। তবে তাঁর এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিরোধী দল এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলির একাংশ।

সমালোচকদের মতে, ব্রিটেনের স্বাস্থ্য পরিষেবা, প্রযুক্তি খাত এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিল্পে ভারতীয় ও অন্যান্য অভিবাসী কর্মীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে বিদেশিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মন্তব্য বিভাজনমূলক এবং বাস্তব পরিস্থিতির প্রতিফলন নয়।

অন্যদিকে, রুপার্ট লোর সমর্থকদের দাবি, তিনি ব্রিটেনে অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের প্রভাব নিয়ে জনমনে থাকা উদ্বেগের কথাই তুলে ধরেছেন। এই বিতর্কের ফলে ব্রিটেনে অভিবাসন নীতি নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী নির্বাচনের আগে অভিবাসন প্রশ্নটি ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে। আর সেই প্রেক্ষাপটে রুপার্ট লোর মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল।

আরও খবর