• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
TCS Nashik Conversion Case

TCS নাসিক কাণ্ডে নতুন মোড়: গর্ভবতী দাবি করে আগাম জামিনের আবেদন করলেন অভিযুক্ত নিদা খান

TCS নাসিক কাণ্ডে নতুন মোড়—অভিযুক্ত নিদা খান গর্ভবতী দাবি করে আগাম জামিন চাইলেন। গুরুতর অভিযোগের মাঝে আদালতের সিদ্ধান্ত এখন নজরে।

TCS নাসিক কাণ্ডে নতুন মোড়: গর্ভবতী দাবি করে আগাম জামিনের আবেদন  করলেন অভিযুক্ত নিদা খান

TCS Nashik Conversion Case

Published by: cloud_admin
  • Posted:April 17, 2026 5:40 am
  • Update:April 17, 2026 5:41 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের নাসিকে Tata Consultancy Services (TCS)-এর অফিস ঘিরে ধর্মান্তর ও যৌন হেনস্থার অভিযোগে চলা চাঞ্চল্যকর মামলায় নতুন মোড় এসেছে। এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত Nida Khan আদালতের দ্বারস্থ হয়ে দাবি করেছেন যে তিনি গর্ভবতী (TCS Nashik Conversion Case) এবং সেই কারণ দেখিয়ে আগাম জামিন (anticipatory bail) চেয়েছেন। তাঁর আইনজীবী আদালতে জানান, বর্তমান শারীরিক অবস্থায় গ্রেপ্তার হলে তা তাঁর এবং গর্ভস্থ সন্তানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাঁকে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। তবে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, নিদা খান এখনও পর্যন্ত পুলিশের সামনে হাজির হননি এবং তাঁকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চলছে, ফলে তাঁর আবেদন ঘিরে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে।

এই মামলায় ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে, যার মধ্যে রয়েছে জোর করে ধর্মান্তরের চেষ্টা, কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থা, মানসিক নির্যাতন এবং একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর মাধ্যমে এসব কার্যকলাপ পরিচালনার অভিযোগ। পুলিশ একাধিক FIR দায়ের করেছে এবং কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় বিশেষ তদন্ত দল (SIT) গঠন করা হয়েছে এবং ডিজিটাল প্রমাণ, ফোন রেকর্ড ও আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি Tata Consultancy Services নিজস্ব অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে নাসিক অফিসে কর্মীদের সাময়িকভাবে ওয়ার্ক ফ্রম হোম নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি এতটাই গুরুত্ব পেয়েছে যে বিষয়টি পৌঁছে গিয়েছে Supreme Court of India পর্যন্ত, যেখানে জোরপূর্বক ধর্মান্তর নিয়ে বড় আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এদিকে নিদা খানের গর্ভাবস্থার দাবি আদালতে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তা এখন দেখার বিষয়। একদিকে মানবিক কারণ, অন্যদিকে গুরুতর অভিযোগ—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রেখেই আদালত সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। পুরো ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এবং আরও ভুক্তভোগী সামনে আসতে পারেন বলেও আশঙ্কা করছে পুলিশ।

আরও খবর