• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Saurav Das

প্রতিবাদে কটূক্তি করলেই জেল? বিস্ফোরক মন্তব্য CJP-র সৌরভ দাসের

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অপমানজনক ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক। সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস (CJP)-এর মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, এমন মন্তব্যে কেউ আঘাত পেলে মানহানির মামলা করতে পারেন। তবে ফৌজদারি আইনের প্রয়োগের কোনও প্রয়োজন নেই।

প্রতিবাদে কটূক্তি করলেই জেল? বিস্ফোরক মন্তব্য CJP-র সৌরভ দাসের

Saurav Das

Published by: cloud_admin
  • Posted:July 31, 2026 11:48 am
  • Update:July 31, 2026 11:52 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

দিল্লির সাম্প্রতিক প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস (CJP)-এর মুখপাত্র সৌরভ দাস। তাঁর বক্তব্য, প্রতিবাদকারীদের ব্যবহৃত অপমানজনক ভাষা নিয়ে কারও আপত্তি থাকতেই পারে। কিন্তু সেই কারণে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা ব্যবহার করা উচিত নয়।

ফৌজদারি মামলা নয়, মানহানির মামলা উপযুক্ত পথ

সৌরভ দাস বলেন, কোনও ব্যক্তি যদি মনে করেন তাঁর সম্মানহানি হয়েছে, তাহলে তিনি মানহানির মামলা করতে পারেন। সেটি আইনের স্বীকৃত পথ।

তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, কেবলমাত্র আপত্তিকর বা কটূক্তিমূলক বক্তব্যের জন্য ফৌজদারি মামলা দায়ের করা বা অপরাধমূলক বিচারব্যবস্থা চালু করা সমীচীন নয়।

প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার উপর জোর দিলেন তিনি

তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবাদের অধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবাদে ব্যবহৃত ভাষা নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু সেই কারণেই অপরাধমূলক আইনের আশ্রয় নেওয়া গণতান্ত্রিক পরিবেশের পক্ষে শুভ নয়।

এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দিল্লির সাম্প্রতিক আন্দোলনকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, আন্দোলনের সময় কিছু ব্যক্তি আপত্তিকর ও অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেছিলেন।

ব্যক্তিগত সম্মান রক্ষার জন্য দেওয়ানি আইনের ব্যবস্থা যথেষ্ট

সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপের দাবি ওঠে। তবে সৌরভ দাসের বক্তব্য, ব্যক্তিগত সম্মান রক্ষার জন্য দেওয়ানি আইনের ব্যবস্থা যথেষ্ট। ফৌজদারি মামলা দিয়ে প্রতিবাদ দমন করার চেষ্টা করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকারকে সব সময় গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল ভাষা ব্যবহারের বিষয়েও সচেতন থাকা দরকার।

আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশও মনে করেন, সব ধরনের বিতর্কিত বক্তব্যকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে দেখলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্যদিকে, বিরোধী মত রয়েছে যে, ঘৃণাত্মক বা অপমানজনক ভাষার ক্ষেত্রেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিবাদ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের প্রয়োগ—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে মতবিনিময় চলছে। ভবিষ্যতে আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয়, তার দিকেই নজর থাকবে।

আরও খবর