Red Fort Blast AI Misuse
ক্লাউড টিভি ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লা সংলগ্ন বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-র চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তদের একাংশ নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্ল্যাটফর্মকে ‘টেরর ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর কাজে অপব্যবহার করেছিল। তদন্তকারীদের মতে, বিস্ফোরক তৈরির পরিকল্পনা, প্রযুক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং হামলার বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি (Red Fort Blast AI Misuse) ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
NIA সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলায় জমা দেওয়া প্রায় ৭,৫০০ পাতার চার্জশিটে একটি বিস্তৃত ষড়যন্ত্রের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তদন্তে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে ওই জঙ্গি মডিউলের ‘ইন-হাউস ইঞ্জিনিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। সে প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং বিস্ফোরক সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ভিডিও কনটেন্ট এবং AI-ভিত্তিক প্রযুক্তিগত টুল ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছিল। NIA-র ভাষায়, গোটা প্রক্রিয়াটি “প্রায় ল্যাবরেটরি-স্তরের” পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছিল।
তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে যে এই জঙ্গি মডিউলের যোগসূত্র ছিল Al‑Qaida in the Indian Subcontinent-এর সঙ্গে যুক্ত একটি শাখার সঙ্গে। এই মামলায় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে এবং কয়েকজনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, বিস্ফোরক আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—তদন্তকারী সংস্থার চার্জশিটে উল্লিখিত তথ্য আদালতে বিচারাধীন। অর্থাৎ, এই অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, AI প্রযুক্তি শিক্ষা, গবেষণা ও উৎপাদনশীল কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তার অপব্যবহার নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রযুক্তির নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এই ঘটনার পর।