• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Delhi Police Case

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমার পর নাবালিকার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, বড় সিদ্ধান্ত দিল্লি পুলিশের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রকাশ্য ক্ষমার বার্তার পর বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি পুলিশ। ভাইরাল প্রতিবাদী ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করা ১৫ বছরের এক কিশোরীর বিরুদ্ধে আর কোনও মামলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমার পর নাবালিকার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, বড় সিদ্ধান্ত দিল্লি পুলিশের

Delhi Police Case

Published by: cloud_admin
  • Posted:August 3, 2026 1:07 pm
  • Update:August 3, 2026 1:07 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রকাশ্য ক্ষমার বার্তার পর বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি পুলিশ। ভাইরাল হওয়া একটি প্রতিবাদী ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করা ১৫ বছরের এক কিশোরীর বিরুদ্ধে আর কোনও মামলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে না বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

ক্ষমা চাওয়ার পর বদলাল পরিস্থিতি

জন্তর মন্তরের এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ধারণ করা ভাইরাল ভিডিওতে ওই কিশোরীকে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করতে দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তদন্ত শুরু হয়। পরে ওই কিশোরী প্রকাশ্যে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে জানায়, আবেগের বশে সে ভুল করেছে এবং তার বক্তব্যের জন্য অনুতপ্ত।

এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ভুল পথে চালিত শিশুদের প্রতি ঘৃণা নয়, সহানুভূতি দেখানো উচিত। তিনি তাঁদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথাও জানান। সেই বার্তার পরই মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা শুরু হয়।

দিল্লি পুলিশের সিদ্ধান্ত

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, নাবালিকার বিরুদ্ধে আর কোনও এফআইআর বা আইনি ব্যবস্থা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে না। পুলিশ সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নিজে ক্ষমা করার বার্তা দেওয়ার পর এবং অভিযুক্তের বয়স বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি প্রক্রিয়া কার্যত বন্ধ হয়ে গেল।

এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নাবালকদের ক্ষেত্রে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া আইন ও সমাজ—দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত

যদিও এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক থামেনি। বিরোধী শিবিরের একাংশের অভিযোগ, শুরুতেই মামলা করার প্রয়োজন ছিল না। আবার অন্য পক্ষের দাবি, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমার বার্তার পর মামলা না এগোনোই ছিল যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ।

ঘটনাটি এখন শুধুমাত্র একটি আইনি সিদ্ধান্ত নয়; বরং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সামাজিক দায়িত্ব এবং নাবালকদের প্রতি আইনের আচরণ—এই তিনটি বিষয় নিয়েই নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে প্রশাসন কী নীতি গ্রহণ করে, সেদিকেও নজর থাকবে।

আরও খবর