• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jaaved Jaaferi Wife Fraud Case

জাভেদ জাফরির স্ত্রীকে ১৬ কোটি টাকার প্রতারণা! অভিযুক্ত BMC আধিকারিক সাসপেন্ড, তদন্তে ক্রাইম ব্রাঞ্চ

বলিউড অভিনেতা Jaaved Jaaferi-র স্ত্রী হাবিবা জাফরির অভিযোগ, একটি পুনর্বিকাশ প্রকল্পে বিনিয়োগের নামে তাঁর কাছ থেকে ১৬.২৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। মামলায় নাম জড়াতেই সাসপেন্ড করা হয়েছে BMC-র এক সহকারী কমিশনারকে।

জাভেদ জাফরির স্ত্রীকে ১৬ কোটি টাকার প্রতারণা! অভিযুক্ত BMC আধিকারিক সাসপেন্ড, তদন্তে ক্রাইম ব্রাঞ্চ

Jaaved Jaaferi Wife Fraud Case

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 8, 2026 12:02 pm
  • Update:June 8, 2026 12:02 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা Jaaved Jaaferi-র পরিবারকে কেন্দ্র করে সামনে এল কোটি কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ। অভিনেতার স্ত্রী Habiba Jaffrey অভিযোগ করেছেন, মুম্বইয়ের একটি  Redevelopment প্রকল্পে মোটা মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে প্রায় ১৬.২৪ কোটি টাকা আদায় (Jaaved Jaaferi Wife Fraud Case) করা হয়েছে। এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভার (BMC) এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরও।

অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই BMC-র সহকারী কমিশনার মহেশ পাটিল-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাসপেনশনের নির্দেশ ৫ জুন জারি করা হলেও তা কার্যকর করা হয়েছে ৭ জুন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবিবা জাফরির অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বইয়ের খার থানায় একটি FIR দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, মহেশ পাটিল এবং তাঁর কয়েকজন সহযোগী বান্দ্রার একটি পুনর্বিকাশ প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে বিপুল মুনাফা হবে বলে আশ্বাস দেন। সেই প্রলোভনেই জাফরি পরিবার বিপুল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করে।

অভিযোগ আরও গুরুতর কারণ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জাল নথি তৈরিরও অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, প্রকল্পটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে একাধিক সরকারি নথি ও নিবন্ধনের কাগজপত্র জাল করা হয়েছিল। সেই নথিগুলিই বিনিয়োগকারীদের সামনে দেখানো হয় বলে অভিযোগ।

তদন্তে উঠে এসেছে যে, শুধু চেক বা ব্যাঙ্ক লেনদেন নয়, নগদ টাকা, বিদেশি মুদ্রা এমনকি দামি ঘড়ির মাধ্যমেও অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, মোট প্রায় ১৬.২৪ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাবিবা জাফরি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

এই মামলায় ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ী নিশিত প্যাটেল নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। আদালত তাঁকে পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে, মহেশ পাটিল-সহ আরও কয়েকজন অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

মামলার আর্থিক পরিমাণ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম জড়িয়ে পড়ায় তদন্তের দায়িত্ব খার থানার হাত থেকে নিয়ে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন অর্থ লেনদেনের নথি, সম্পত্তি সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং অভিযুক্তদের মধ্যে যোগাযোগের তথ্য খতিয়ে দেখছেন।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই প্রতারণা চক্রের শিকার আরও অনেক ব্যক্তি হয়ে থাকতে পারেন। সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এগোলে আরও প্রভাবশালী নাম সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

আরও খবর