• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Pakistan Cross Border Terrorism

‘হাজার ক্ষত দিয়ে ভারতকে রক্তাক্ত করার নীতি’— রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে তীব্র আক্রমণ ভারতের

রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানাল ভারত। সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদে মদত এবং “হাজার ক্ষত দিয়ে ভারতকে রক্তাক্ত” করার নীতি অনুসরণের অভিযোগ তুলে কড়া ভাষায় জবাব দিল ভারতীয় প্রতিনিধি দল।

‘হাজার ক্ষত দিয়ে ভারতকে রক্তাক্ত করার নীতি’— রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে তীব্র আক্রমণ ভারতের

Pakistan Cross Border Terrorism

Published by: cloud_admin
  • Posted:May 27, 2026 9:59 am
  • Update:May 27, 2026 9:59 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। এবার সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে ভারত। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের প্রতিনিধি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Pakistan Cross Border Terrorism) করেন যে, বহু বছর ধরে ইসলামাবাদ সন্ত্রাসবাদকে একটি নীতিগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে এবং “Bleeding India by a Thousand Cuts” বা “হাজার ক্ষত দিয়ে ভারতকে রক্তাক্ত করা” ধরনের কৌশল অনুসরণ করেছে।

ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি Parvathaneni Harish পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে বলেন, ভারত সীমান্তপারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রাখে। পাশাপাশি তিনি সতর্ক করেন, সন্ত্রাসবাদে মদতের ফল পাকিস্তানকে ভোগ করতেই হবে।

ভারতের বক্তব্যে আরও বলা হয়, স্বাধীনতার পর থেকেই পাকিস্তান ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছে। একাধিক যুদ্ধ, সীমান্ত সংঘর্ষ এবং সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের মাধ্যমে আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলে ভারত।

“Bleeding India by a Thousand Cuts” শব্দবন্ধটি নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এটি দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ও নিরাপত্তা আলোচনায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সাধারণভাবে এর অর্থ, সরাসরি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের পরিবর্তে ছোট ছোট আঘাত, সীমান্ত উত্তেজনা এবং জঙ্গি কার্যকলাপের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির (Pakistan Cross Border Terrorism) চেষ্টা।

রাষ্ট্রসংঘের এই বৈঠকে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে যে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় তাদের অবস্থান “শূন্য সহনশীলতা” নীতির উপর ভিত্তি করে। ভারতের প্রতিনিধি আরও বলেন, শুধুমাত্র বক্তব্য বা রাজনৈতিক বিবৃতি নয়, বাস্তব পদক্ষেপই আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল শর্ত।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত উত্তেজনা, কাশ্মীর ইস্যু এবং সন্ত্রাসবাদ নিয়ে জটিল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই ধরনের সরাসরি মন্তব্য দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর নতুন করে প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

আরও খবর