Israel Hezbollah Ceasefire
ক্লাউড টিভি ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার আবহে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। ইজরায়েল এবং লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হেজবোল্লাহ নতুন করে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কাতারের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা হয়েছে। যুদ্ধবিরতি (Israel Hezbollah Ceasefire) শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ চলছিল। হেজবোল্লাহর হামলায় কয়েকজন ইজরায়েলি সেনার মৃত্যু হয়। এর জবাবে লেবাননের একাধিক এলাকায় বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। এই সংঘর্ষে বহু মানুষের মৃত্যু এবং আহত হওয়ার খবর সামনে আসে। ফলে গোটা অঞ্চলে নতুন করে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
মার্কিন প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও দোহার কূটনৈতিক তৎপরতার ফলেই দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। এই চুক্তির লক্ষ্য হল সীমান্তে সংঘর্ষ বন্ধ করা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি আলোচনার পথ সুগম করা।
তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ এবং গুলিবিনিময়ের খবর পাওয়া গেছে। ফলে এই সমঝোতা কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই পক্ষের মধ্যে আস্থার অভাব এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে মতভেদ এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ইজরায়েলকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক সংঘাত নয়, কূটনৈতিক সমাধানই সবচেয়ে প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যুদ্ধবিরতি সফল হলে শুধু ইজরায়েল-লেবানন সীমান্তেই নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তবে স্থায়ী শান্তির জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা এবং পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।