• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Delhi Doctor Househelp Murder

দিল্লিতে গৃহপরিচারিকাকে খুনের অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে, চাকরি থেকে ছাঁটাই নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে হয়েছিল বচসা

দিল্লির অভিজাত মাউন্ট কৈলাশে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড। ১৫ বছরের পুরনো গৃহপরিচারিকাকে খুনের অভিযোগ চিকিৎসক মনীশ গুপ্তর বিরুদ্ধে। তদন্তে উঠে এসেছে চাকরি থেকে ছাঁটাই নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তীব্র বচসার তথ্য।

দিল্লিতে গৃহপরিচারিকাকে খুনের অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে, চাকরি থেকে ছাঁটাই নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে হয়েছিল বচসা

Delhi Doctor Househelp Murder

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 19, 2026 8:16 pm
  • Update:June 19, 2026 8:16 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: দিল্লির অভিজাত মাউন্ট কৈলাশ এলাকার এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মনীশ গুপ্ত তাঁর দীর্ঘদিনের গৃহপরিচারিকা মীনাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন। সেই ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যেই নৃশংসভাবে খুন হন ওই মহিলা (Delhi Doctor Househelp Murder)।

পুলিশ জানিয়েছে, ৪৫ বছর বয়সী মীনা প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই পরিবারের সঙ্গে কাজ করছিলেন। শুধু গৃহপরিচারিকার দায়িত্বই নয়, তিনি চিকিৎসকের বৃদ্ধ মায়ের দেখাশোনাও করতেন। তদন্তকারীদের দাবি, সম্প্রতি তাঁকে কাজ থেকে সরানোর বিষয় নিয়ে পরিবারের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ দিল্লির মাউন্ট কৈলাশে নিজের বাড়িতে মীনাকে প্রথমে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মারধর করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত (Delhi Doctor Househelp Murder) করা হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত চিকিৎসক মনীশ গুপ্তকে মৃতদেহের কাছেই বসে থাকতে দেখে। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনার পর বিভিন্ন মহলে দাবি উঠেছিল যে, ‘কালাজাদু’ বা ‘নেতিবাচক শক্তি’ নিয়ে সন্দেহ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত সেই দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ মেলেনি। তদন্তকারীরা পারিবারিক অশান্তি, মানসিক অবস্থা এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন।

প্রতিবেশীদের অনেকেই জানিয়েছেন, মীনা দীর্ঘদিন ধরে ওই পরিবারের বিশ্বস্ত কর্মী ছিলেন। এমন নৃশংস ঘটনার খবর সামনে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং ফরেনসিক রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

এই ঘটনা আবারও গৃহকর্মীদের নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং পারিবারিক বিরোধের ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তদন্ত শেষ হলে হত্যার প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে পুলিশ।

আরও খবর