Sundar Pichai Stanford Palestine
ক্লাউড টিভি ডেস্ক: প্যালেস্টাইন ইস্যুতে এবার নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই বিক্ষোভের মুখে পড়লেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই। আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার জন্য তাঁর নাম ঘোষণা হতেই বিক্ষোভ শুরু করেন একদল পড়ুয়া। অভিযোগ, শতাধিক শিক্ষার্থী প্যালেস্টাইনের (Sundar Pichai Stanford Palestine) পতাকা হাতে স্লোগান দিতে দিতে অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে বেরিয়ে যান। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন Sundar Pichai। তাঁর নাম ঘোষণা হতেই উপস্থিত একদল শিক্ষার্থী প্রতিবাদ শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অনেকেই প্যালেস্টাইনের পতাকা উড়িয়ে বাঁশি বাজাতে থাকেন এবং স্লোগান দিতে দিতে অনুষ্ঠান ত্যাগ করেন।
Stanford grads walk out as Google CEO Sundar Pichai takes the stage as commencement speaker. No mention of AI, unlike other uni speakers getting booed down this year. Story for @sfgate shortly pic.twitter.com/qvS2rJ91Ip
— Matt Brown (@maattttbrown) June 14, 2026
এই বিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছে গুগলের বিতর্কিত ‘প্রোজেক্ট নিম্বাস’। Google এবং Amazon-এর সঙ্গে ইজরায়েল সরকারের একটি ক্লাউড ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) পরিষেবা সংক্রান্ত চুক্তি রয়েছে। সমালোচকদের একাংশের অভিযোগ, এই প্রযুক্তি ইজরায়েলি নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ব্যবহার করা হতে পারে।
প্যালেস্টাইনপন্থী আন্দোলনকারীদের দাবি, এই ধরনের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা গাজা ও প্যালেস্টাইনি অঞ্চলে নজরদারি এবং সামরিক অভিযানে সহায়ক হতে পারে। যদিও গুগল বরাবরই জানিয়েছে, প্রোজেক্ট নিম্বাসের উদ্দেশ্য সরকারি ক্লাউড পরিষেবা প্রদান এবং এটি অস্ত্র বা সামরিক আক্রমণের জন্য তৈরি নয়।
স্ট্যানফোর্ডে হওয়া এই বিক্ষোভ ফের একবার প্রযুক্তি সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্যালেস্টাইন-সমর্থক আন্দোলন দেখা গিয়েছে। সেই আবহেই সুন্দর পিচাইয়ের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি, রাজনীতি এবং মানবাধিকার প্রশ্নে ছাত্রসমাজের অবস্থান ক্রমশ আরও স্পষ্ট হচ্ছে। স্ট্যানফোর্ডের ঘটনাও সেই বৃহত্তর আন্তর্জাতিক বিতর্কেরই অংশ।