• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Tulsi Gabbard Wuhan Lab Claim

উহান গবেষণাগারে মার্কিন অর্থায়নের অভিযোগ, বিদায়ী দিনে বিস্ফোরক দাবি তুলসী গ্যাবার্ডের

বিদায়ী দিনে বিস্ফোরক দাবি তুলসী গ্যাবার্ডের। তাঁর অভিযোগ, অ্যান্থনি ফাউচি উহান গবেষণাগারে বিপজ্জনক ভাইরাস গবেষণার জন্য মার্কিন অর্থায়নে ভূমিকা রেখেছিলেন। নতুন করে বিতর্কে কোভিডের উৎস।

উহান গবেষণাগারে মার্কিন অর্থায়নের অভিযোগ, বিদায়ী দিনে বিস্ফোরক দাবি তুলসী গ্যাবার্ডের

Tulsi Gabbard Wuhan Lab Claim

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 20, 2026 11:32 am
  • Update:June 20, 2026 11:39 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: কোভিড-১৯ মহামারির উৎস নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বিদায়ী মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড দাবি (Tulsi Gabbard Wuhan Lab Claim) করেছেন, সাবেক মার্কিন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফাউচি চীনের উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে বিপজ্জনক গবেষণার জন্য মার্কিন করদাতাদের অর্থ ব্যবহারে ভূমিকা রেখেছিলেন। নিজের দায়িত্বের শেষ দিনে প্রকাশিত একাধিক নথির ভিত্তিতে তিনি এই অভিযোগ তুলেছেন।

গ্যাবার্ডের দাবি, উহানের গবেষণাগারে বাদুড়জাতীয় করোনাভাইরাস নিয়ে তথাকথিত “গেইন-অফ-ফাংশন” গবেষণার জন্য অর্থায়ন করা হয়েছিল। এই ধরনের গবেষণায় ভাইরাসকে আরও সংক্রামক বা বিপজ্জনক করে তোলার সম্ভাবনা থাকে বলে সমালোচকরা দাবি করেন। গ্যাবার্ড অভিযোগ করেন, এই গবেষণার বিষয়ে তথ্য গোপন করা হয়েছে এবং কোভিডের সম্ভাব্য উৎস সম্পর্কে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।

প্রকাশিত নথিগুলিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, ফাউচি কোভিডের উৎস সংক্রান্ত গোয়েন্দা মূল্যায়নে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন এবং ল্যাব-লিক তত্ত্বকে গুরুত্বহীন দেখানোর চেষ্টা হয়েছিল। এছাড়াও, কংগ্রেসে দেওয়া তাঁর কিছু সাক্ষ্য নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে এই অভিযোগগুলি এখনও বিতর্কিত। কোভিড-১৯-এর উৎস নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা, বিজ্ঞানী মহল এবং আন্তর্জাতিক গবেষকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মতভেদ রয়েছে। কেউ ল্যাব দুর্ঘটনার তত্ত্বকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ প্রাকৃতিক উৎস থেকে ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনার কথা বলেছেন।

ফাউচি বা তাঁর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই নতুন অভিযোগের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়নি। তবে অতীতে তিনি বারবার দাবি করেছেন যে, তিনি কখনও উহানে বিপজ্জনক গেইন-অফ-ফাংশন গবেষণার জন্য সরাসরি অর্থায়ন করেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাবার্ডের প্রকাশ করা নথিগুলি আগামী দিনে মার্কিন রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। একই সঙ্গে কোভিড-১৯-এর প্রকৃত উৎস নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন তদন্তের দাবিও জোরালো হতে পারে। তবে এই অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

আরও খবর