Ritabrata Banerjee New Party
ক্লাউড টিভি ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা। তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত নেতা Ritabrata Banerjee-কে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তৃণমূলের একাংশের অসন্তোষ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর জেরে খুব শীঘ্রই নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ (Ritabrata Banerjee New Party) আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সামনে আসেনি।
সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁদের কার্যকলাপ সংগঠনের স্বার্থবিরোধী ছিল।
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বড় পরাজয়ের পর থেকেই দলের অভ্যন্তরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। একাধিক বৈঠকে অনুপস্থিতি, নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন এবং সংগঠন পুনর্গঠনের দাবি ঘিরে চাপ বাড়ছিল। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকও পর্যাপ্ত উপস্থিতির অভাবে স্থগিত হয়ে যায়।
এদিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, তৃণমূলের একাংশের নেতা ও কর্মীদের মধ্যে “আমরাই আসল তৃণমূল” স্লোগান সামনে এনে নতুন সংগঠন তৈরির আলোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বিশেষভাবে উঠে আসছে। যদিও তিনি নিজে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে নতুন দল গঠনের কথা ঘোষণা করেননি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূল এখন কঠিন পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জের মুখে। দলনেত্রী Mamata Banerjee ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, যারা দল ছাড়তে চান তাঁদের আটকানো হবে না এবং নতুন করে সংগঠন গড়ে তোলা হবে।
অন্যদিকে তৃণমূলের অভ্যন্তরে নেতৃত্বের প্রশ্ন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন এবং সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে মতপার্থক্যের খবরও সামনে এসেছে। এর মধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগের জল্পনা রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রা দীর্ঘদিনের। ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে উঠে আসা এই নেতা অতীতে সিপিএম, পরে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
তবে বর্তমানে নতুন দল গঠনের বিষয়টি পুরোপুরি জল্পনার স্তরেই রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতাদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক রূপরেখা বা নাম ঘোষণা করা হয়নি। ফলে আগামী কয়েকদিনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে রাজ্য রাজনীতির পর্যবেক্ষকদের।