• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Modi Shyama Prasad Mukherjee Speech

‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালি দাঙ্গার প্রসঙ্গ তুলে শ্যামাপ্রসাদের অবদান স্মরণ মোদির

পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তারকেশ্বরের সভা থেকে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালি দাঙ্গার প্রসঙ্গ তুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে ধরে রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালি দাঙ্গার প্রসঙ্গ তুলে শ্যামাপ্রসাদের অবদান স্মরণ মোদির

Modi Shyama Prasad Mukherjee Speech

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 20, 2026 8:05 pm
  • Update:June 20, 2026 8:05 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে তারকেশ্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাংলার ইতিহাস, দেশভাগ এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য (Modi Shyama Prasad Mukherjee Speech) করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্যের বড় অংশ জুড়ে ছিল ১৯৪৬ সালের ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’, নোয়াখালি দাঙ্গা এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে ধরে রাখার রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রসঙ্গ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের জন্ম রক্তাক্ত ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে। তিনি স্মরণ করান ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা এবং নোয়াখালির সাম্প্রদায়িক হিংসার কথা। মোদীর দাবি, সেই সময় বাংলার মানুষ দেশভাগের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করার ষড়যন্ত্রও হয়েছিল। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ হিসেবে ধরে রাখতে লড়াই করেছিলেন।

তারকেশ্বরের সভায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যদি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সেই সময় উদ্যোগ না নিতেন, তাহলে আজকের পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্ব হয়তো থাকত না। তিনি কংগ্রেসের সমালোচনা করে দাবি করেন, সে সময় জাতীয় নেতৃত্ব এই বিষয়ে কার্যকর অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছিল।

ভাষণের শুরুতে মোদী বাবা তারকেশ্বরকে প্রণাম জানান এবং ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনি দেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান বাংলার রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্যচাষ এবং গ্রামীণ অর্থনীতির ক্ষেত্রে নতুন গতি এসেছে। তিনি ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের মাধ্যমে দ্রুত উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মঞ্চ থেকে ইতিহাসের এই অধ্যায় তুলে ধরা শুধুমাত্র অতীত স্মরণ নয়, বরং বর্তমান রাজনৈতিক বার্তারও অংশ। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে কেন্দ্র করে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার রাজনৈতিক বয়ান নির্মাণের চেষ্টা করছে।

তারকেশ্বরের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় পৌঁছন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য তাঁর দু’দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফর ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব তৈরি হয়েছে।

আরও খবর