• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
KMC Sushanta Ghosh Arup Chakrabarty

কলকাতা পুরসভায় তৃণমূলে নতুন ধাক্কা? বরো চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন সুশান্ত ঘোষ, জল্পনায় অরূপও

কলকাতা পুরসভায় ফের রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র। বরো-১২-এর চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষ পদত্যাগ করেছেন বলে খবর। পাশাপাশি অরূপ চক্রবর্তীরও পুরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

কলকাতা পুরসভায় তৃণমূলে নতুন ধাক্কা? বরো চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন সুশান্ত ঘোষ, জল্পনায় অরূপও

KMC Sushanta Ghosh Arup Chakrabarty

Published by: cloud_admin
  • Posted:May 27, 2026 10:05 am
  • Update:May 27, 2026 10:05 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নানা সমীকরণ নিয়ে আলোচনা চলছে, তখন কলকাতা পুরসভা বা KMC-তেও নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। বুধবার কলকাতা পুরসভার বরো-১২-এর চেয়ারম্যান পদ থেকে সুশান্ত ঘোষ পদত্যাগ করেছেন বলে খবর সামনে এসেছে। একই সঙ্গে অরূপ চক্রবর্তীর পদত্যাগের (KMC Sushanta Ghosh Arup Chakrabarty) সম্ভাবনাও রাজনৈতিক মহলে চর্চা বাড়িয়েছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সুশান্ত ঘোষ ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভায় পৌঁছেছেন এবং তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি অরূপ চক্রবর্তীও তাঁর সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মিউনিসিপ্যাল অ্যাকাউন্টস কমিটি থেকেও অরূপ চক্রবর্তী ইস্তফা দিতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সামনে আসেনি।

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে কারণ কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরসভার আরেক বরো চেয়ারপার্সন দেবলীনা বিশ্বাসও পদ ছেড়েছিলেন বলে রিপোর্ট সামনে আসে। ফলে পরপর পদত্যাগের ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— পুর প্রশাসনের ভিতরে কি কোনও অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে?

Kolkata Municipal Corporation বা KMC কলকাতার প্রশাসনিক ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। শহরটি ১৪৪টি ওয়ার্ড এবং ১৬টি বরোতে বিভক্ত, যেখানে বিভিন্ন বরো কমিটি স্থানীয় প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করে।

যদিও এই পদত্যাগের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এটি শুধুমাত্র প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশও হতে পারে। আবার অন্য অংশের মতে, এর পিছনে সাংগঠনিক বা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণও থাকতে পারে। তবে এই মুহূর্তে এই সম্ভাবনাগুলির কোনওটিরই সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দলীয় সংগঠন এবং পুর প্রশাসনে নানা পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে একাধিক পদত্যাগের ঘটনা সামনে এলে তা স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা তৈরি করে। বিশেষ করে কলকাতা পুরসভার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানে এমন পরিবর্তন রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এখন নজর থাকবে, সুশান্ত ঘোষ বা অরূপ চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কী কারণ জানানো হয় এবং তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে কীভাবে ব্যাখ্যা করে।

আরও খবর