• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
RBI Repo Rate

যুদ্ধের আবহে রেপো রেট নিয়ে বুধবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর কি বলছে RBI

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কার মধ্যেও রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ৫.২৫ শতাংশ রেপো রেট বজায় রাখার সিদ্ধান্তে স্বস্তি ঋণগ্রহীতাদের।

যুদ্ধের আবহে রেপো রেট নিয়ে বুধবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর কি বলছে RBI

RBI Repo Rate

Published by: cloud_admin
  • Posted:August 5, 2026 4:37 pm
  • Update:August 5, 2026 4:37 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনার মধ্যেও রেপো রেটে (RBI Repo Rate) কোনও পরিবর্তন করল না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। বুধবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, রেপো রেট আগের মতোই ৫.২৫ শতাংশ রাখা হচ্ছে। এর ফলে আপাতত হোম লোন, গাড়ির ঋণ এবং অন্যান্য ভাসমান সুদের ঋণের EMI-তে তাৎক্ষণিক কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

যুদ্ধ ও তেলের দাম নিয়ে সতর্ক RBI

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব পড়ছে অপরিশোধিত তেলের বাজারেও। ভারত যেহেতু তেলের বড় আমদানিকারক, তাই আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি দেশের মূল্যস্ফীতিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে RBI সুদের হার না বাড়িয়ে অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কৌশল নিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি—সব দিক বিবেচনা করেই ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

EMI-তে আপাতত স্বস্তি

রেপো রেট অপরিবর্তিত থাকায় ব্যাংকগুলির ঋণের সুদে তাৎক্ষণিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। ফলে যাঁদের হোম লোন, গাড়ির ঋণ বা ব্যক্তিগত ঋণ রয়েছে, তাঁদের মাসিক EMI আপাতত একই থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে সুদের হার বাড়ালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব পড়তে পারত। আবার সুদের হার কমালেও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়তে পারত। তাই RBI ভারসাম্যের পথ বেছে নিয়েছে।

ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে মূল্যস্ফীতির উপর

RBI স্পষ্ট করেছে, আগামী দিনে খাদ্যদ্রব্যের দাম, বর্ষার পরিস্থিতি, জ্বালানির মূল্য এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতের উপর নজর রাখা হবে।

যদি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তাহলে ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে বর্তমান নীতিই বজায় রাখা হতে পারে। অর্থনীতিবিদদের মতে, আপাতত এই সিদ্ধান্ত ঋণগ্রহীতা ও শিল্প—দু’পক্ষের কাছেই স্বস্তির বার্তা।

আরও খবর