• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
PM Modi Thekua Gift

স্লোভাকিয়ার স্পিকারকে বিহারের ‘ঠেকুয়া’ উপহার মোদীর, বিশ্বমঞ্চে বাংলার নয়, এবার বিহারের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি

ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরে স্লোভাক পার্লামেন্টের স্পিকার রিচার্ড রাসিকে বিহারের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ‘ঠেকুয়া’ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছট পুজোর সঙ্গে জড়িত এই মিষ্টি এখন বিশ্বমঞ্চেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

স্লোভাকিয়ার স্পিকারকে বিহারের ‘ঠেকুয়া’ উপহার মোদীর, বিশ্বমঞ্চে বাংলার নয়, এবার বিহারের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি

PM Modi Thekua Gift

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 20, 2026 11:40 pm
  • Update:June 20, 2026 11:40 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কূটনীতির মঞ্চে আবারও ভারতের আঞ্চলিক সংস্কৃতি ও খাদ্য ঐতিহ্যকে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরের সময় তিনি স্লোভাকিয়ার পার্লামেন্টের স্পিকার রিচার্ড রাসিকে বিহারের জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ‘ঠেকুয়া’ উপহার দিয়েছেন। এই উপহার ঘিরে দেশ-বিদেশে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঠেকুয়া বিহার এবং ঝাড়খণ্ডের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মিষ্টি খাবার। গমের আটা, গুড় বা চিনি, ঘি এবং মৌরি দিয়ে তৈরি এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টিকে অনেকেই ‘দেশি কুকি’ বলেও অভিহিত করেন। বাইরে মচমচে হলেও ভেতরে নরম ও সুস্বাদু এই খাবার দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।

বিশেষ করে ছট পুজোর সময় ঠেকুয়ার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। বিহারের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ছট পুজোয় এটি প্রসাদ হিসেবে নিবেদন করা হয়। শুধু ধর্মীয় গুরুত্বই নয়, বিহারের সাংস্কৃতিক পরিচয়েরও অন্যতম প্রতীক এই মিষ্টি। তাই আন্তর্জাতিক সফরে এই উপহারকে অনেকেই বিহারের সংস্কৃতির বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী অতীতেও বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের বিভিন্ন ভারতীয় পণ্য ও খাদ্যসামগ্রী উপহার দিয়েছেন। কাশ্মীরি কারুশিল্প, কালমকারি শিল্পকর্ম, কেশর আম, লোকতাক চা, জিআই-ট্যাগযুক্ত চালসহ একাধিক ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী তাঁর উপহারের তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো বিহারের ঠেকুয়া।

স্লোভাকিয়া সফর ছিল ঐতিহাসিক। স্বাধীন স্লোভাকিয়া প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী দেশটি সফর করেন। সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, জ্বালানি এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। সেই প্রেক্ষাপটে ঠেকুয়ার মতো স্থানীয় খাদ্যকে উপহার হিসেবে বেছে নেওয়া সাংস্কৃতিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিহারের রাজনৈতিক মহলেও এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছে। অনেকের মতে, এটি শুধু একটি মিষ্টি উপহার নয়, বরং বিহারের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং মানুষের আবেগকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

আরও খবর