• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Brij Bhushan Case

ব্রিজভূষণের বড় স্বস্তি, যৌন হেনস্থা মামলায় বেকসুর খালাস দিল দিল্লি আদালত

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর বড় স্বস্তি পেলেন প্রাক্তন ডব্লিউএফআই প্রধান ব্রিজভূষণ শরণ সিং। দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত মহিলা কুস্তিগীরদের যৌন হেনস্থার মামলায় তাঁকে এবং প্রাক্তন সহকারী সচিব বিনোদ তোমরকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।

ব্রিজভূষণের বড় স্বস্তি, যৌন হেনস্থা মামলায় বেকসুর খালাস দিল দিল্লি আদালত

Brij Bhushan Case

Published by: cloud_admin
  • Posted:August 3, 2026 11:12 am
  • Update:August 3, 2026 11:12 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

দীর্ঘদিনের বিতর্ক, আন্দোলন এবং আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে বড় রায় দিল দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত। মহিলা কুস্তিগীরদের করা যৌন হেনস্থার মামলায় (Brij Bhushan Case) প্রাক্তন রেসলিং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (WFI) সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিং এবং প্রাক্তন সহকারী সচিব বিনোদ তোমরকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এই মামলাকে ঘিরে গত কয়েক বছর ধরে দেশজুড়ে ব্যাপক রাজনৈতিক ও ক্রীড়া বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

আন্দোলন থেকে আদালত

২০২৩ সালে দেশের একাধিক আন্তর্জাতিক ও অলিম্পিক পদকজয়ী মহিলা কুস্তিগীর ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ আনেন। দিল্লির জন্তর মন্তরে দীর্ঘ আন্দোলন হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে দিল্লি পুলিশ এফআইআর দায়ের করে এবং তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে চার্জশিটও জমা পড়ে। এই মামলাটি ভারতীয় ক্রীড়া প্রশাসনের অন্যতম আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়।

আদালতের পর্যবেক্ষণ

দীর্ঘ শুনানি ও উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পর সোমবার আদালত জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের মতো পর্যাপ্ত গ্রহণযোগ্য প্রমাণ আদালতের সামনে উপস্থাপিত হয়নি। সেই কারণেই ব্রিজভূষণ শরণ সিং এবং বিনোদ তোমরকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বহুল আলোচিত মামলার আইনি পর্ব আপাতত শেষ হল।

রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে নতুন আলোচনা

এই মামলার জেরে ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎও একসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহল থেকে ক্রীড়া জগৎ—সবখানেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অভিযোগকারী পক্ষের প্রতিক্রিয়ার দিকেও নজর রয়েছে।

আরও খবর