• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Temple Donation Box Death Wish Note

মন্দিরের দানবাক্সে মিলল মৃত্যুকামনা লেখা ২০ টাকার নোট, চাঞ্চল্য অন্ধ্রপ্রদেশে

অন্ধ্রপ্রদেশের একটি মন্দিরের দানবাক্সে পাওয়া গেল ২০ টাকার একটি নোট, যাতে লেখা ছিল পিসির মৃত্যুকামনা। ঘটনাটি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

মন্দিরের দানবাক্সে মিলল মৃত্যুকামনা লেখা ২০ টাকার নোট, চাঞ্চল্য অন্ধ্রপ্রদেশে

Temple Donation Box Death Wish Note

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 20, 2026 7:37 pm
  • Update:June 20, 2026 7:37 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: মন্দিরের দানবাক্সে সাধারণত মানুষ প্রার্থনা, আশা বা কৃতজ্ঞতার বার্তা রেখে যান। কেউ সুস্বাস্থ্য চান, কেউ চাকরি, কেউবা সন্তানের সাফল্যের জন্য প্রার্থনা করেন। কিন্তু অন্ধ্রপ্রদেশের একটি মন্দিরে এমন একটি বার্তা (Temple Donation Box Death Wish Note) পাওয়া গিয়েছে, যা দেখে বিস্মিত হয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে ভক্তরাও।

অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলার সুব্রহ্মণ্যেশ্বর স্বামী মন্দিরের দানবাক্সে একটি ২০ টাকার নোট উদ্ধার হয়েছে। সেই নোটে হাতে লেখা ছিল এক অদ্ভুত আবেদন। বার্তাটিতে লেখা, “স্বামী, আমি আর আমার পিসির অত্যাচার সহ্য করতে পারছি না। দয়া করে যেন তিনি খুব শিগগির মারা যান।”

সম্প্রতি মন্দিরের দানবাক্স খোলা হয় এবং নিয়মমাফিক দানের অর্থ গণনা শুরু করেন কর্মীরা। সেই সময়ই নজরে আসে ওই ২০ টাকার নোটটি। প্রথমে কর্মীরা বিষয়টিকে সাধারণ কোনও লেখা বলে মনে করলেও পরে বার্তাটি পড়ে সবাই হতবাক হয়ে যান।

মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণত দানবাক্সে পাওয়া বার্তাগুলিতে মানুষের আশা, প্রার্থনা এবং ইতিবাচক কামনার প্রতিফলন দেখা যায়। কিন্তু এই নোটে এক আত্মীয়ের মৃত্যুকামনা প্রকাশ পাওয়ায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কেউ বিষয়টিকে হাস্যরসের চোখে দেখলেও অন্যরা এর মধ্যে পারিবারিক সম্পর্কের তিক্ততা এবং মানসিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দেখছেন।

ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। নোটটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় তুমুল আলোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, কী এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে একজন ব্যক্তি মন্দিরে গিয়ে এমন প্রার্থনা করতে বাধ্য হলেন?

যদিও নোটটি কে লিখেছেন বা তাঁর পরিচয় কী, তা এখনও জানা যায়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে কোনও তদন্ত শুরু করেনি। কারণ এটি কোনও অপরাধমূলক অভিযোগ নয়, বরং ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে করা হচ্ছে।

তবে ঘটনাটি আবারও সামনে এনে দিয়েছে পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা এবং মানসিক চাপের বিষয়টি। অনেকের মতে, রাগ বা ক্ষোভের মুহূর্তে লেখা এই ধরনের বার্তা সমাজের এক অন্য বাস্তবতাকেই তুলে ধরে।

আরও খবর