• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Delhi Gymkhana Club

দিল্লি জিমখানা ক্লাবকে উচ্ছেদের নির্দেশ কেন্দ্রের, এবার আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান

দিল্লির ঐতিহ্যবাহী Delhi Gymkhana Club-কে ৫ জুনের মধ্যে লুটিয়েন্স দিল্লির জমি খালি করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এবার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্লাব।

দিল্লি জিমখানা ক্লাবকে উচ্ছেদের নির্দেশ কেন্দ্রের, এবার আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান

Delhi Gymkhana Club

Published by: cloud_admin
  • Posted:May 23, 2026 2:29 pm
  • Update:May 23, 2026 2:29 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: দিল্লির অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এবং অভিজাত প্রতিষ্ঠান Delhi Gymkhana Club-কে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কেন্দ্র সরকার রাজধানীর লুটিয়েন্স দিল্লিতে অবস্থিত ক্লাবটির ২৭.৩ একর জমি খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

কেন্দ্রের আওতাধীন Land and Development Office (L&DO), যা আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনে কাজ করে, ক্লাবকে আগামী ৫ জুনের মধ্যে জমি ও ভবনের দখল ছেড়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২ নম্বর সফদরজং রোডে অবস্থিত এই এলাকা একটি “অত্যন্ত সংবেদনশীল ও কৌশলগত অঞ্চল” এবং প্রতিরক্ষা অবকাঠামো শক্তিশালী করা ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনের জন্য এই জমি দরকার।

তবে ক্লাবের সদস্যদের দাবি, সরকারের এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ক্লাবটির দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং হাজার হাজার সদস্যের সঙ্গে এটি জড়িত। তাঁদের মতে, এলাকাটি নিয়ে কোনও নতুন নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রশ্ন নেই। তাই বিষয়টি আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে এবং আইনিভাবেই এর সমাধান চাওয়া হবে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ব্রিটিশ আমলে ১৯১৩ সালে Imperial Delhi Gymkhana Club নামে এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতার পর এর নাম পরিবর্তন করে Delhi Gymkhana Club রাখা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে এটি দেশের উচ্চপদস্থ আমলা, কূটনীতিক, সামরিক আধিকারিক, ব্যবসায়ী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অন্যতম সামাজিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ক্লাবটি একাধিক বিতর্কেও জড়িয়েছে। আর্থিক অনিয়ম, সদস্যপদ বণ্টনে পক্ষপাতিত্ব এবং পরিচালনাগত অসঙ্গতির অভিযোগ নিয়ে অতীতেও সরকার এবং আদালতের নজরে এসেছিল প্রতিষ্ঠানটি। সেই কারণেও প্রশাসনিক নজরদারি বেড়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে এই পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, সরকার বিভিন্ন স্তরে উচ্ছেদমূলক নীতি গ্রহণ করছে। যদিও কেন্দ্রের অবস্থান, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।

আরও খবর