• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
PM Modi waits at Delhi Airport

নিট পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে বিমানবন্দরে ৪৫ মিনিট অপেক্ষা মোদির, চর্চায় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত

নিট-ইউজি পুনঃপরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে সমস্যা এড়াতে দিল্লি বিমানবন্দরে প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরীক্ষার্থীদের সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

নিট পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে বিমানবন্দরে ৪৫ মিনিট অপেক্ষা মোদির, চর্চায় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত

PM Modi waits at Delhi Airport

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 21, 2026 6:56 pm
  • Update:June 21, 2026 6:56 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি সিদ্ধান্ত রবিবার দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার আগে প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi waits at Delhi Airport)। কারণ, সেই সময় রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে চলছিল নিট-ইউজি পুনঃপরীক্ষার জন্য পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত।

সূত্রের খবর, রবিবার দুপুর ২টায় নিট-ইউজি পুনঃপরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর কনভয় রাস্তায় নামলে নিরাপত্তার কারণে বিভিন্ন রুটে যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হয়। ফলে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে সমস্যার মুখে পড়তে পারতেন। সেই পরিস্থিতি এড়াতেই বিমানবন্দরে অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে প্রশাসনিক মহল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে। কারণ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার দিনে পরীক্ষার্থীদের সুবিধাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রেখেও সাধারণ মানুষের অসুবিধা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা উচিত সাধারণ নাগরিকের প্রয়োজন। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনও ধরনের বিঘ্ন যাতে না ঘটে, সেই বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিট-ইউজি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষাগুলির মধ্যে অন্যতম। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলে পরীক্ষার দিন যাতায়াত সংক্রান্ত সামান্য সমস্যাও বহু পরীক্ষার্থীর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সেই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী মোদির এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, পরীক্ষার্থীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক সংবেদনশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আরও খবর