• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Narendra Modi inaugurates warships

যোগ দিবসে কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর তিন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর তিনটি স্বদেশি যুদ্ধজাহাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই পদক্ষেপ ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যোগ দিবসে কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর তিন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

Narendra Modi inaugurates warships

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 21, 2026 10:36 am
  • Update:June 21, 2026 10:36 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক  : আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিন কলকাতা সাক্ষী থাকল ভারতের সামুদ্রিক শক্তির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের। প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi রবিবার কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর তিনটি স্বদেশি যুদ্ধজাহাজ ও নৌ-সম্পদকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ও কমিশন করেন। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভারতীয় নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হওয়া তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হল INS Dunagiri, INS Sanshodhak এবং INS Agray। এগুলি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তি ও নির্মাণ ব্যবস্থার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচির অন্যতম সাফল্য হিসেবেই এই প্রকল্পগুলিকে দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতার লক্ষ্য দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে। আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, নজরদারি ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ দেশের নিরাপত্তাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। পাশাপাশি ভারতকে একটি শক্তিশালী সামুদ্রিক শক্তি হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করবে।

INS Dunagiri একটি আধুনিক স্টেলথ ফ্রিগেট। এটি শত্রুপক্ষের রাডার এড়িয়ে কার্যকরভাবে অভিযান চালাতে সক্ষম। অন্যদিকে INS Agray একটি অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্রাফট। উপকূলীয় অঞ্চলে সাবমেরিনের গতিবিধি শনাক্ত ও প্রতিরোধে এর বিশেষ ভূমিকা থাকবে। INS Sanshodhak মূলত একটি বৃহৎ সার্ভে ভেসেল। সমুদ্র গবেষণা, নৌ-মানচিত্র প্রস্তুতি এবং কৌশলগত তথ্য সংগ্রহে এই জাহাজ ব্যবহৃত হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই নতুন সংযোজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে ভারতীয় নৌবাহিনীর নজরদারি, প্রতিরক্ষা এবং অপারেশনাল সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

কলকাতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি, নৌবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিক এবং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। যোগ দিবসের মতো একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানের দিনে এই কমিশনিং অনুষ্ঠান ভারতের সামরিক শক্তি ও আত্মনির্ভরতার বার্তাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।

আরও খবর