• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jalpaiguri Holding Centre

জলপাইগুড়ির হোল্ডিং সেন্টারে ২৬ বাংলাদেশি, কড়া নিরাপত্তায় নজরদারি

জলপাইগুড়ির দুটি হোল্ডিং সেন্টারে মোট কয়েক ডজন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁদের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

জলপাইগুড়ির হোল্ডিং সেন্টারে ২৬ বাংলাদেশি, কড়া নিরাপত্তায় নজরদারি

Jalpaiguri Holding Centre

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 14, 2026 8:39 pm
  • Update:June 14, 2026 8:39 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অভিযান চলার মধ্যেই জলপাইগুড়িতে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা ব্যক্তিদের সংখ্যা বাড়ছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাট সীমান্ত এলাকা থেকে নিয়ে আসা আরও ২১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বৃহস্পতিবার রাতে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের রাজবাড়ি পাড়া ইন্দিরা গান্ধী কলোনি এলাকার আরটিসি হোল্ডিং সেন্টারে (Jalpaiguri Holding Centre) রাখা হয়েছে।

এর আগে একই হোল্ডিং সেন্টারে ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁদের মধ্যে ৯ জনকে ইতিমধ্যেই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অপর একজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় বর্তমানে তিনি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হোল্ডিং সেন্টার চত্বরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বাইরের লোকজনের প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের ফাটাপুকুর এলাকায় তৈরি অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টারেও ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে ৭ জন শিশু, ১৫ জন মহিলা এবং বাকি ৪ জন পুরুষ রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই ব্যক্তিরা প্রায় তিন থেকে চার বছর আগে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে রিকশাচালক, রংমিস্ত্রি এবং অন্যান্য দৈনিক মজুরিভিত্তিক পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে প্রশাসন সূত্রে দাবি।

বসিরহাট সীমান্ত এলাকা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় বাসে করে তাঁদের ফাটাপুকুরের হোল্ডিং সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে থাকার জন্য পৃথক কক্ষ, খাবারের ব্যবস্থা, পানীয় জল এবং বাথরুমের সুবিধা রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে গোটা হোল্ডিং সেন্টার এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। চারপাশ টিনের ঘেরা দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে। এছাড়াও ২৪ ঘণ্টা নজরদারির জন্য পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে।

তবে প্রশাসনের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, হোল্ডিং সেন্টারে রাখা এই ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে। তাঁদের প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু হবে কিনা, নাকি অন্য কোনও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে, হোল্ডিং সেন্টারে বাংলাদেশি নাগরিকদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে। প্রশাসন অবশ্য পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও খবর