• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sabyasachi Dutta Arrested

তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার বিধাননগরের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধাননগর পুরনিগমের চেয়ারম্যান ও তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এক ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার বিধাননগরের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

Sabyasachi Dutta Arrested

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 9, 2026 5:49 am
  • Update:June 9, 2026 5:51 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল বিধাননগর পুরনিগমের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা সব্যসাচী দত্ত-কে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে (Sabyasachi Dutta Arrested) গ্রেফতার দেখানো হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, বিধাননগরের এক ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অভিযোগ, এক কোটি টাকারও বেশি অর্থ তোলার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু তথ্য ও নথি হাতে আসার পরই সব্যসাচী দত্তকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে তাঁকে বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে কয়েক ঘণ্টা ধরে জেরা করেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অভিযোগের সমর্থনে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ মিলেছে বলেই এই পদক্ষেপ। যদিও সব্যসাচী দত্ত নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে সূত্রের খবর।

একসময় বিধাননগরের মেয়র এবং রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন সব্যসাচী দত্ত। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেও ফের তৃণমূলে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি বিধাননগর পুরনিগমের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন এবং এলাকার রাজনীতিতে এখনও প্রভাবশালী মুখ হিসেবে পরিচিত।

এই গ্রেফতারিকে (Sabyasachi Dutta Arrested) কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের পর সব্যসাচী দত্তের গ্রেফতারি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এদিকে, ঘটনার তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। আদালতে পেশ করার পর পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তদন্তকারীরা অভিযোগের আর্থিক লেনদেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য অন্যান্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন।

আরও খবর