• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Li Meizhen Marathon

রক্তাক্ত পা, তবু থামেননি! ঋতুস্রাবের মধ্যেই ম্যারাথন শেষ করে বিশ্বকে তাক লাগালেন লি মেইঝেন

ঋতুস্রাবের মধ্যেই রক্তাক্ত অবস্থায় ম্যারাথন শেষ করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন চীনের দীর্ঘপাল্লার দৌড়বিদ লি মেইঝেন। তাঁর এই লড়াই শুধু ক্রীড়া নয়, নারীদের শারীরিক বাস্তবতা ও মানসিক দৃঢ়তার নতুন আলোচনাও শুরু করেছে।

রক্তাক্ত পা, তবু থামেননি! ঋতুস্রাবের মধ্যেই ম্যারাথন শেষ করে বিশ্বকে তাক লাগালেন লি মেইঝেন

Li Meizhen Marathon

Published by: cloud_admin
  • Posted:July 25, 2026 11:56 am
  • Update:July 25, 2026 11:56 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি স্পোর্টস ডেস্ক: চীনের দীর্ঘপাল্লার দৌড়বিদ লি মেইঝেন এখন বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণার নাম। ম্যারাথনের মাঝপথে আচমকা ঋতুস্রাব শুরু হলেও তিনি দৌড় থামাননি। রক্তে ভিজে যায় তাঁর পা। তবুও শেষ পর্যন্ত দাঁতে দাঁত চেপে দৌড় শেষ করেন তিনি। তাঁর এই দৃঢ়তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। পাশাপাশি নারী ক্রীড়াবিদদের শারীরিক বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শারীরিক কষ্টকে হার মানালেন

ম্যারাথনের বড় অংশ পার করার পরই লি মেইঝেন বুঝতে পারেন তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। সেই সময় প্রতিযোগিতা ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু তিনি থামেননি।

রক্তের দাগ স্পষ্ট হলেও নিজের গতি ধরে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে ফিনিশ লাইন স্পর্শ করেন। এই পারফরম্যান্স তাঁর শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি অসাধারণ মানসিক শক্তিরও প্রমাণ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার ঝড়

দৌড় শেষের ছবি ভাইরাল হওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুভেচ্ছা আসতে শুরু করে। বহু ক্রীড়াবিদ, চিকিৎসক এবং সাধারণ মানুষ তাঁর সাহসের প্রশংসা করেছেন।

অনেকেই বলেছেন, ঋতুস্রাবকে ঘিরে এখনও সমাজে অযথা সংকোচ রয়েছে। লি মেইঝেনের এই ঘটনা সেই ধারণাকে ভাঙতে সাহায্য করবে। নারী ক্রীড়াবিদদের শারীরিক বাস্তবতা নিয়ে আরও খোলামেলা আলোচনা হওয়া দরকার বলেও মত প্রকাশ করেছেন অনেকে।

শুধু একটি দৌড় নয়, এক শক্তিশালী বার্তা

ক্রীড়াবিদদের কাছে ম্যারাথন মানেই ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও মানসিক দৃঢ়তার পরীক্ষা। লি মেইঝেনের ঘটনা সেই বার্তাকেই আরও শক্তিশালী করেছে।

তিনি দেখিয়ে দিলেন, শারীরিক অস্বস্তি বা সামাজিক সংকোচ কোনওটাই লক্ষ্য পূরণের পথে শেষ কথা নয়। তাঁর এই লড়াই ইতিমধ্যেই বহু নারী ক্রীড়াবিদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও খবর