2026 World Cup Final Ticket Price
ক্লাউড টিভি স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালকে ঘিরে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। ফুটবলের দুই পরাশক্তির এই মহারণকে সামনে রেখে টিকিটের চাহিদা আকাশছোঁয়া। আর সেই চাহিদার জেরেই রেকর্ড গড়েছে টিকিটের দাম (2026 World Cup Final Ticket Price)।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টিকিট বিক্রয় প্ল্যাটফর্ম TickPick-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপ ফাইনালের গড় টিকিটের মূল্য পৌঁছেছে ১১,৩২৭ মার্কিন ডলারে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৩ লাখ টাকা। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত কোনও ক্রীড়া ইভেন্টের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ গড় টিকিটমূল্য।
ফাইনালের সবচেয়ে কম দামের টিকিট বিক্রি হচ্ছে ৬,৯৪৩ ডলারে, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, একটি টিকিটের সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য পৌঁছেছে ২৮,৪৭৯ ডলারে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৪ লাখ টাকা।
বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের এই নজিরবিহীন মূল্য ফুটবল বিশ্বের পাশাপাশি ক্রীড়া অর্থনীতিতেও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
টিকপিক জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার আগে সর্বনিম্ন টিকিটের দাম ছিল প্রায় ৭,২০০ ডলার।
ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেন নিশ্চিত হওয়ার পর দাম সামান্য কমে ৬,৯৪৩ ডলারে নেমে এলেও তা এখনও সাধারণ দর্শকদের নাগালের অনেক বাইরে।
টিকপিকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল এখন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্ট।
সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টগুলির তালিকায় রয়েছে—
এই পরিসংখ্যানই স্পষ্ট করে দিচ্ছে, ফুটবল বিশ্বকাপের জনপ্রিয়তা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের টিকিটের দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
বর্তমানে ওই ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য প্রায় ৯০০ ডলার। ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর টিকিটের দাম প্রায় ৩০০ ডলার কমেছে বলে জানিয়েছে টিকিট বিশ্লেষক সংস্থাগুলি।
টিকিট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান SeatPick-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ টিকিটের দিক থেকে সংস্থার ৯৬ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ।
টুর্নামেন্টের শুরুতে গড় টিকিটের দাম ছিল ১,৬২২ ডলার। নকআউট পর্বের সঙ্গে সঙ্গে সেই দাম বাড়তে থাকে। সেমিফাইনালে গড় মূল্য দাঁড়ায় ৪,১৬২ ডলার এবং ফাইনালের আগে তা লাফিয়ে ১১,৩২৭ ডলারে পৌঁছে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্জেন্টিনা-স্পেনের হাইভোল্টেজ ফাইনাল, সীমিত আসনসংখ্যা এবং বিশ্বজুড়ে দর্শকদের বিপুল আগ্রহই এই রেকর্ডমূল্যের প্রধান কারণ।