• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Vaibhav Suryavanshi Wins Five Awards

আইপিএলে ইতিহাস ১৫ বছরের সূর্যবংশীর! একাই জিতলেন ৫ পুরস্কার, MVP থেকে অরেঞ্জ ক্যাপ সবই তাঁর

আইপিএল ২০২৬-এর মঞ্চে ইতিহাস গড়লেন মাত্র ১৫ বছরের বৈভাব সূর্যবংশী। এক মৌসুমে ইমার্জিং প্লেয়ার, অরেঞ্জ ক্যাপ, সুপার স্ট্রাইকার, সুপার সিক্সেস এবং মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার-সহ মোট পাঁচটি ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতে নজির গড়লেন রাজস্থান রয়্যালসের এই তরুণ ব্যাটার। পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে পেলেন ৫৫ লক্ষ টাকাও।

আইপিএলে ইতিহাস ১৫ বছরের সূর্যবংশীর! একাই জিতলেন ৫ পুরস্কার, MVP থেকে অরেঞ্জ ক্যাপ সবই তাঁর

Vaibhav Suryavanshi Wins Five Awards

Published by: cloud_admin
  • Posted:June 1, 2026 12:02 pm
  • Update:June 2, 2026 12:05 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

আহমেদাবাদ: আইপিএল ২০২৬-এর ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের আনন্দে মাতলেও, ব্যক্তিগত পুরস্কারের মঞ্চে একাই আলো কেড়ে নিলেন বৈভাব সূর্যবংশী। মাত্র ১৫ বছর বয়সে এমন কীর্তি (Vaibhav Suryavanshi Wins Five Awards) গড়লেন, যা এর আগে আইপিএলের ইতিহাসে কেউ করতে পারেননি।

রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলা এই বিস্ময় বালক একাই জিতে নিলেন পাঁচটি বড় পুরস্কার। শুধু তাই নয়, আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একই মৌসুমে ‘ইমার্জিং প্লেয়ার অব দ্য সিজন’ এবং ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার অব দ্য সিজন’ পুরস্কার জয়ের নজিরও গড়েছেন তিনি।

২০২৬ মরশুমে সূর্যবংশীর ব্যাট যেন আগুন ঝরিয়েছে। ১৬ ইনিংসে ৪৮.৫০ গড় এবং অবিশ্বাস্য ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ৭৭৬ রান করেছেন তিনি। এই পারফরম্যান্স তাঁকে এনে দিয়েছে অরেঞ্জ ক্যাপ, যা টুর্নামেন্টে সর্বাধিক রান সংগ্রাহককে দেওয়া হয়।

শুধু রানই নয়, তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের প্রমাণ মিলেছে ছক্কার পরিসংখ্যানেও। ১৬ ম্যাচে মোট ৭২টি ছক্কা হাঁকিয়ে ‘সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজন’ পুরস্কার জিতেছেন তিনি। পাশাপাশি ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটের সুবাদে ‘সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন’-এর সম্মানও তাঁর ঝুলিতে গিয়েছে।

সব মিলিয়ে ‘ইমার্জিং প্লেয়ার অব দ্য সিজন’, ‘সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন’, ‘সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজন’, ‘অরেঞ্জ ক্যাপ’ এবং ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার অব দ্য সিজন’—এই পাঁচটি পুরস্কার জিতে মোট ৫৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার মূল্য পেয়েছেন সূর্যবংশী।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, রাজস্থান রয়্যালস ফাইনালে পৌঁছতে না পারলেও আহমেদাবাদে উপস্থিত ছিলেন এই তরুণ ক্রিকেটার। নিজের হাতে গ্রহণ করেন সব পুরস্কার। কয়েক মাস আগেই রাজস্থান রয়্যালস তাঁকে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকায় দলে নিয়েছিল। সেই বিনিয়োগ যে সঠিক ছিল, তা মাঠের পারফরম্যান্সেই প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, টুর্নামেন্টের পার্পল ক্যাপ জিতেছেন গুজরাট টাইটান্সের কাগিসো রাবাদা। ১৭ ইনিংসে ২৯ উইকেট নিয়ে তিনি ছিলেন আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। ‘অন দ্য গো ফোরস অব দ্য সিজন’ পুরস্কার পেয়েছেন গুজরাট টাইটান্সের সাই সুদর্শন, যিনি ১৭ ইনিংসে ৭৫টি চার মেরেছেন।

‘গ্রিন ডট বলস অব দ্য সিজন’ পুরস্কার গিয়েছে মোহাম্মদ সিরাজের ঝুলিতে। তিনি ৩৭২ বলের মধ্যে ১৭২টি ডট বল করেছেন। আর ‘ক্যাচ অব দ্য সিজন’ পুরস্কার জিতেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মানিশ পান্ডে।

ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড জিতেছে পাঞ্জাব কিংস। অন্যদিকে পিচ অ্যান্ড গ্রাউন্ডস অ্যাওয়ার্ডের বড় বিভাগে ৫০ লক্ষ টাকা পেয়েছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স এবং ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল। ছোট বিভাগের পুরস্কার পেয়েছে হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম।

ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স রানার্স-আপ হয়ে পেয়েছে ১২.৫ কোটি টাকা। আর চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ঘরে তুলেছে ২০ কোটি টাকার প্রাইজমানি।

তবে সব পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন একটাই নাম—বৈভাব সূর্যবংশী (Vaibhav Suryavanshi Wins Five Awards)। তাঁর ব্যাটে ভর করে আইপিএল ২০২৬ পেয়েছে নতুন এক সুপারস্টার, যাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

আরও খবর