India vs Pakistan World Cup New Format
ক্লাউড টিভি স্পোর্টস ডেস্ক: আইসিসি টুর্নামেন্ট মানেই ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বাড়তি উন্মাদনা। দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে ২০১২ সালের পর থেকে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্টই এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে একে অপরের বিপক্ষে (India vs Pakistan World Cup New Format) দেখার প্রধান মঞ্চ।
এবার সেই উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। আইসিসি ঘোষিত ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটে ভারত ও পাকিস্তান একই টুর্নামেন্টে দুই বা এমনকি তিনবারও মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
২০২৭ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেবে ১৪টি দল।
নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী গ্রুপ পর্বের পর ১২টি দল উন্নীত হবে সুপার সেভেন পর্বে। এরপর রাউন্ড-রবিন ভিত্তিতে প্রতিটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। সেখান থেকে শীর্ষ চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে।
ধরা যাক, ভারত ও পাকিস্তান গ্রুপ পর্বে একই গ্রুপে পড়ল। সেক্ষেত্রে প্রথমবার মুখোমুখি হবে গ্রুপ পর্বেই।
এরপর দুই দলই যদি সুপার সেভেনে ওঠে, তাহলে রাউন্ড-রবিন পর্বে আবারও তাদের লড়াই হবে। অর্থাৎ, টুর্নামেন্টে অন্তত দুইবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
যদি দুই দলই সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি হয়, তাহলে সেই সংখ্যা বেড়ে তিনবার হতে পারে।
২০২৮ টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নেবে ২০টি দল।
দলগুলোকে ভাগ করা হবে চারটি করে পাঁচটি গ্রুপে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল যাবে সুপার ১০ পর্বে।
সুপার ১০-এ দশটি দলকে আবার দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। এই পর্যায়েও ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ দলগুলোর সিডিং নির্ধারণ করা হবে আইসিসি র্যাঙ্কিং অনুযায়ী।
সেক্ষেত্রে প্রথম ম্যাচ হবে গ্রুপ পর্বে। দ্বিতীয়বার দেখা হতে পারে সুপার ১০ পর্বে।
এরপর টুর্নামেন্টের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে সেমিফাইনাল বা ফাইনালেও দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ থাকবে।
অর্থাৎ, টি-২০ বিশ্বকাপেও একই আসরে তিনটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে আইসিসির সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। কোটি কোটি দর্শক এই ম্যাচের অপেক্ষায় থাকেন। নতুন ফরম্যাটে একাধিকবার দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ তৈরি হলে সম্প্রচার, দর্শকসংখ্যা এবং বাণিজ্যিক মূল্য—সব ক্ষেত্রেই এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
তবে শেষ পর্যন্ত একাধিক ম্যাচ হবে কি না, তা নির্ভর করবে দুই দলের পারফরম্যান্স, গ্রুপ বিন্যাস এবং নকআউট পর্বে ওঠার ওপর।