• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Erling Haaland love story

মাঠে গোলমেশিন, প্রেমে একেবারে ঘরোয়া! আর্লিং হালান্ডের প্রেমের গল্প জানেন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের প্রেমের গল্প শুরু হয়েছিল একটি ডিএম থেকে। দীর্ঘদিনের সঙ্গী ইসাবেল হাউগসেং জোহানসেনের সঙ্গে আজও সাধারণ জীবনই পছন্দ করেন নরওয়ের এই তারকা।

মাঠে গোলমেশিন, প্রেমে একেবারে ঘরোয়া! আর্লিং হালান্ডের প্রেমের গল্প জানেন?

Erling Haaland love story

Published by: cloud_admin
  • Posted:July 14, 2026 11:38 pm
  • Update:July 14, 2026 11:38 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি স্পোর্টস ডেস্ক  : মাঠে তিনি বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর স্ট্রাইকার। গোলের পর গোল করে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ভেঙে দেন অনায়াসে। কিন্তু ফুটবলের বাইরের জীবন একেবারেই ভিন্ন। নরওয়ের তারকা ফুটবলার আর্লিং হালান্ড ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে রেখেছেন। দীর্ঘদিনের সঙ্গী ইসাবেল হাউগসেং জোহানসেন-এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখন ক্রীড়াজগতের অন্যতম আলোচিত প্রেমের গল্প (Erling Haaland love story)।

একটি ডিএম থেকেই শুরু

হালান্ড জানিয়েছেন, তাঁদের প্রেমের শুরু হয়েছিল একটি ডিরেক্ট মেসেজ (DM) থেকে। যদিও দুজনের পরিচয় ছোটবেলা থেকেই ছিল, সম্পর্কের সূচনা হয় অনেক পরে।

হালান্ডের কথায়, ২০২১ সালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে যোগ দেওয়ার পর প্রথম ইসাবেলই তাঁকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা পাঠান।

হাসতে হাসতেই হালান্ড বলেন, “ও-ই প্রথম আমাকে মেসেজ করেছিল। আমরা একই ক্লাবে খেলতাম। আসলে ও-ই আমাকে আগে পছন্দ করেছিল।”

দুজনেরই ফুটবল থেকে পথচলা

বর্তমানে ইসাবেল একজন মডেল ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। তবে তাঁর প্রথম পরিচয় ছিল একজন ফুটবলার হিসেবে।

মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি নরওয়ের ব্রিনে এফকে (Bryne FK)-এর নারী দলে ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলতে শুরু করেন। হালান্ড ও ইসাবেল—দুজনেরই বেড়ে ওঠা ব্রিনে শহরে এবং দুজনই একই ক্লাবের হয়ে খেলেছেন।

বিলাসিতার বদলে সাধারণ জীবন

মাত্র ২৫ বছর বয়সেই হালান্ড বিশ্বের অন্যতম ধনী ফুটবলারদের একজন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭৪ মিলিয়ন পাউন্ড বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এত বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও তাঁদের জীবনযাপন বেশ সাধারণ। জমকালো পার্টি বা বিলাসবহুল অনুষ্ঠানের চেয়ে বাড়িতে একসঙ্গে সময় কাটাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই তারকা জুটি (Erling Haaland love story)।

মাঠে গোলমেশিন হলেও ব্যক্তিগত জীবনে হালান্ড যে একজন পারিবারিক ও শান্ত স্বভাবের মানুষ, সেই ছবিই আরও একবার সামনে এল।

আরও খবর