Adidas World Cup Sales
ক্লাউড টিভি ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ মানেই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি জমে ওঠে ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতাও। চলতি বিশ্বকাপে সেই লড়াইয়ে প্রাথমিকভাবে এগিয়ে রয়েছে অ্যাডিডাস। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, জার্সি ও ফুটবল-সম্পর্কিত পণ্যের বিক্রিতে প্রতিদ্বন্দ্বী নাইকির তুলনায় অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছে জার্মান এই ব্র্যান্ড (Adidas World Cup Sales)।
উভয় প্রতিষ্ঠানই বিশ্বকাপকে ঘিরে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাজারের অংশীদারিত্ব হারানো নাইকির জন্য এবারের টুর্নামেন্ট বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হতে যাওয়া কোম্পানির চতুর্থ প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনের দিকেও নজর রয়েছে বিনিয়োগকারীদের।
বিশ্বকাপের অফিসিয়াল স্পন্সর হিসেবে অ্যাডিডাস এবারের টুর্নামেন্টে ১৪টি জাতীয় দলকে স্পন্সর করছে। পাশাপাশি বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বলও সরবরাহ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এম সায়েন্সের গবেষণা বিশ্লেষক ড্রেক ম্যাকফারলেনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের মে মাসে অ্যাডিডাসের পোশাক বিক্রিতে ব্যয় ৭০ শতাংশ বেড়েছে। জুন মাসেও এই প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিভিন্ন দেশের জার্সির চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় অ্যাডিডাস সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে।
নাইকি এবারের বিশ্বকাপে ১২টি জাতীয় দলের জার্সি ও কিট সরবরাহ করছে। এছাড়া স্থানীয় স্ট্রিটওয়্যার ডিজাইনারদের সঙ্গে যৌথভাবে বিশেষ সংস্করণের পণ্য বাজারে এনেছে।
বিশ্বজুড়ে ৫ হাজারের বেশি নাইকি স্টোর ও পাইকারি বিক্রয়কেন্দ্রে ফুটবল সামগ্রীর নতুন ডিসপ্লেও সাজানো হয়েছে।
তবে বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নাইকির বিক্রি বাড়লেও অ্যাডিডাসের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না।
ড্রেক ম্যাকফারলেনের মতে, অ্যাডিডাসের সাফল্যের অন্যতম কারণ হলো তারা গ্রাহকদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পণ্য বাজারে এনেছে।
তিনি বলেন, নাইকির পোশাক ব্যবসাও বাড়ছে। তবে অ্যাডিডাস বর্তমানে আরও বেশি সুবিধা পাচ্ছে, কারণ তাদের পণ্যের বৈচিত্র্য ও জার্সির চাহিদা বাজারে বেশি।
বিশ্বকাপ যত এগোবে, ততই ফুটবল-সম্পর্কিত পণ্যের বিক্রি বাড়তে পারে। তবে প্রাথমিক হিসেবে বিশ্বকাপের ব্যবসায়িক লড়াইয়ে আপাতত এগিয়ে রয়েছে অ্যাডিডাস।