হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে সরকারি চাকরি
হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে যুক্ত বা ‘জমানা পরিবর্তনের’ লক্ষ্যে হিংসার ডাক দেওয়া ব্যক্তিদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। এলাহাবাদ হাই কোর্টের একটি নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগ ও কর্মী বিষয়ক বিভাগের প্রধান সচিব এম দেবরাজ এই নির্দেশিকা জারি করেছেন।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি ২১ বছর বয়স পার করার পর আগের তিন বছরের মধ্যে বিতর্কিত বা হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন—এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁকে এখনও ওই কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে বিবেচনা করা হবে। এই ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
তবে কেবল রাজনৈতিক আদর্শের কারণে কোনও প্রার্থীকে অযোগ্য করা যাবে না। কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হওয়া বা কোনও বিষয় তদন্তাধীন থাকার কারণেও তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরকারি চাকরির জন্য অযোগ্য হবেন না।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণে মাঝের সময়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রমাণ থাকলে প্রশাসন সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে। তথ্য যাচাইয়ের সময় ২১ বছর বয়স পার হওয়ার পরের আগের তিন বছরের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করা হবে।
সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। সমাজবাদী পার্টির মুখপাত্র উদয়বীরের বক্তব্য, স্বাধীন ভারতে প্রতিবাদ সাংবিধানিক অধিকার এবং শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আইনসম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসে। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশিকার মাধ্যমে বর্তমান সরকার ভীতি প্রদর্শন করছে।