• ১০ কার্তিক ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৭ অক্টোবর ২০২৬
IIT Ropar startup-driven PhD

থিসিস ছাড়াই PhD! IIT-এর নয়া মডেলে গবেষণায় বড় বদল?

IIT রোপড় নতুন একটি পিএইচডি পথ চালু করেছে, যেখানে গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হবে পণ্য তৈরি, পেটেন্ট, প্রযুক্তি হস্তান্তর বা স্টার্টআপ গড়ে তোলা। প্রতিষ্ঠানের মতে, এই মডেল বাস্তব শিল্প-সমস্যার সমাধানে গবেষণাকে কাজে লাগাতে সাহায্য করবে।

থিসিস ছাড়াই PhD! IIT-এর নয়া মডেলে গবেষণায় বড় বদল?

IIT Ropar startup-driven PhD

Published by: cloudtv-newsroom
  • Posted:October 27, 2026 1:48 pm
  • Update:October 27, 2026 1:48 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

IIT রোপড়ে চালু হয়েছে Product/Startup-Driven PhD pathway। এই মডেলে ডক্টরাল গবেষণার ফল হিসেবে পণ্য, প্রযুক্তি হস্তান্তর, পেটেন্ট বা স্টার্টআপ তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, গবেষকদের শুধুমাত্র দীর্ঘ লিখিত থিসিসের উপর নির্ভর করতে হবে না।

গবেষণার ফল হবে বাস্তব প্রয়োগ

নতুন পথে গবেষকরা বাস্তব শিল্প-সমস্যার সমাধানে কাজ করতে পারবেন। প্রোগ্রামের নথি অনুযায়ী, পিএইচডি দেওয়ার ভিত্তি হবে পণ্য বা স্টার্টআপ তৈরি, উন্নয়ন এবং তা বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে যুক্ত গবেষণার ফল।

যোগ্যতার সম্ভাব্য পথ হিসেবে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে—কোনও উদ্ভাবনের পেটেন্ট করা, স্টার্টআপ তৈরি করা এবং বিদ্যমান কোনও সংস্থার কাছে প্রযুক্তি হস্তান্তর করা। Tata, Reliance ও Honda-র মতো সংস্থার সঙ্গে প্রযুক্তি-ভিত্তিক কাজের সম্ভাবনার কথাও এই প্রেক্ষাপটে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইনকিউবেশন ও বিনিয়োগ সহায়তা

IIT রোপড়ের উদ্ভাবন-পরিকাঠামোর মাধ্যমে গবেষকরা বিভিন্ন সুবিধা, প্রযুক্তিগত সহায়তা, পরামর্শদাতা এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন। ইনকিউবেশন সাধারণত দুই বছর চলে। এরপর স্টার্টআপকে ‘গ্র্যাজুয়েট’ করে ইনকিউটর থেকে বেরিয়ে যেতে হয়।

Professor Rajeev Ahuja জানিয়েছেন, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক অন্তত প্রতি ত্রৈমাসিকে একবার হয়। সহায়তা পাওয়া স্টার্টআপে IIT রোপড়ের অংশীদারি ২ থেকে ৪ শতাংশ হতে পারে।

থিসিস ও গবেষণার চাপ নিয়ে বক্তব্য

প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর Professor Rajeev Ahuja বলেছেন, এই মডেলে একজন গবেষকের “does not need to write any PhD thesis”। তিনি আরও বলেন, গবেষকের লক্ষ্য হবে পণ্য বিক্রি করে ১০ লক্ষ টাকা আয় করা এবং তা দেখাতে পারলে পিএইচডি পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

Ahuja-র বক্তব্য অনুযায়ী, প্রচলিত প্রকাশনা-নির্ভর গবেষণায় পেপার প্রকাশের চাপ কখনও কখনও তথ্য বিকৃতি ও নকলের মতো সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে, যার ফলে গবেষণাপত্র প্রত্যাহারও হতে পারে। নতুন মডেলটি গবেষণাকে শিল্প ও সমাজের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে।

ভারত ও চিনের পিএইচডি মডেল

শিক্ষা মন্ত্রকের AISHE তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ সালে ভারতে ৩১,৩৮৩টি পিএইচডি দেওয়া হয়েছিল। IIT রোপড়ের দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে অন্য কোনও IIT-তে একই ধরনের কর্মসূচি নেই। BITS Pilani-র WHILSP কর্মসূচিকে তুলনীয় পথ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিনেও নির্বাচিত ডক্টরাল প্রার্থীদের বাস্তব প্রয়োগভিত্তিক সাফল্যের ভিত্তিতে ডিগ্রি পাওয়ার একটি পথ চালু হয়েছে।

আরও খবর