অনবিল মহেশ গ্রেফতার
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য লাইসেন্স, স্বীকৃতি, নবীকরণ, অনাপত্তি শংসাপত্র (NOC) এবং পরিকল্পনা অনুমোদন পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী অনবিল মহেশ পোইয়ামোজিকে গ্রেফতার করেছে চেন্নাই পুলিশের সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। কথিত দুর্নীতি মামলায় টাকার অঙ্ক প্রায় ১০০ কোটি বলে অভিযোগ।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির কাছ থেকে সরকারি অনুমোদনের বিনিময়ে টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। ডিজিটাল ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্য এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় রেকর্ড করা বয়ানের ভিত্তিতে মহেশকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী পক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ধারাও প্রয়োগ করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, কথিত এই ব্যবস্থার প্রভাবে ১৭৭টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অভিযোগের সূত্রপাত ইলঙ্গোভনের দায়ের করা অভিযোগ থেকে। সেখানে বলা হয়েছিল, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে স্থায়ী স্বীকৃতি, উন্নীতকরণ, পরিকল্পনা অনুমোদন এবং অন্যান্য ছাড়পত্র পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছিল।
মাদ্রাজ হাই কোর্ট মহেশের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করার পর তাঁর গ্রেফতার হয়। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং নিজের বিরুদ্ধে চলা মামলাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। পাশাপাশি, এফআইআর খারিজের আবেদনও করেছেন।
প্রাথমিক অভিযোগে BT Arasukumar এবং আরও কয়েক জন পদাধিকারীর বিরুদ্ধে সদস্যপদ ফি ও চাঁদা সংগ্রহ করে সরকারি অনুমোদন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার অভিযোগ ছিল। অভিযোগকারীর দাবি, টাকা নেওয়া হলেও প্রতিশ্রুত NOC, লাইসেন্স, স্বীকৃতি, নবীকরণ এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।
দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (DMK) অভিযোগ করেছে, শাসক তামিলাগা ভেট্রি কাজগম (TVK) সরকার তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশানা করছে। MK Stalin বলেছেন, “By arresting Mr Anbil Mahesh, who has been extending full cooperation to the investigation regarding the allegations against him, the ruling government believes it can temporarily conceal the dismal state of law and order that is laughing in mockery and the administrative corruption that is weeping in despair, thereby diverting the people’s attention.”