• ৮ কার্তিক ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালির রুস্তম খান

দিল্লি বদলির আগে সি মুরুগনের লেখা উপন্যাস ‘নোয়াখালির রুস্তম খান’ প্রকাশ কলকাতায়

পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সি মুরুগনের উপন্যাস ‘নোয়াখালির রুস্তম খান’ শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৪৬ সালের কলকাতা ও পরবর্তী নোয়াখালির সাম্প্রদায়িক হিংসার প্রেক্ষাপটে লেখা বইটি বাংলা, ইংরেজি ও তামিল ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।

দিল্লি বদলির আগে সি মুরুগনের লেখা উপন্যাস ‘নোয়াখালির রুস্তম খান’ প্রকাশ কলকাতায়

নোয়াখালির রুস্তম খান

Published by: cloudtv-newsroom
  • Posted:October 25, 2026 12:12 am
  • Update:October 25, 2026 12:13 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

দিল্লিতে বদলির আগে পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সি মুরুগনের লেখা উপন্যাস ‘নোয়াখালির রুস্তম খান’ শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রী গার্গী রায়চৌধুরী, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বইটির প্রকাশ অনুষ্ঠান হয়।

১৯৪৬-এর কলকাতা ও নোয়াখালির প্রেক্ষাপট

উপন্যাসটি ১৯৪৬ সালের কলকাতার ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’-কে কেন্দ্র করে দাঙ্গা এবং পরবর্তী নোয়াখালির সাম্প্রদায়িক হিংসার প্রেক্ষাপটে লেখা। বইটির ঘটনাপ্রবাহ কলকাতা ও নোয়াখালিকে ঘিরে এগিয়েছে। ধর্মীয় পরিচয়, সামাজিক শ্রেণিবিভাগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা এবং মানবিকতার প্রশ্ন উপন্যাসে উঠে এসেছে।

রুস্তম খানের গল্প

বইটির কেন্দ্রীয় চরিত্র নোয়াখালির লামচরের বাসিন্দা রুস্তম খান। কাহিনি অনুযায়ী, রুস্তম নীলাঞ্জনা নামে এক জমিদারকন্যার প্রেমে পড়ে। পরে সে কলকাতায় আসে এবং পরিস্থিতির পরিবর্তনে নোয়াখালিতে ফিরে যায়।

মুরুগন বলেন, “ভাগ্যের টানে রুস্তম কলকাতায় আসে। কিন্তু পরিস্থিতির পরিবর্তনে তাকে আবার নোয়াখালিতে ফিরে যেতে হয়। সেখানে তার সামনে আসে আরও কঠিন বাস্তবতা। এক দিকে ব্যক্তিগত ভালবাসা, অন্য দিকে হিংসা ও সংঘাতের মধ্যে বিপন্ন মানুষের জীবন বাঁচানোর দায়িত্ব। চারপাশের মানুষ যখন ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নিজেদের পক্ষ বেছে নিচ্ছে, তখন রুস্তমকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়— সে কোন পথে হাঁটবে? নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে, না কি বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াবে?”

দিল্লিতে নতুন দায়িত্ব

মুরুগন ২০০৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস আধিকারিক। তামিলনাড়ুতে জন্ম তাঁর। প্রায় ১৯ বছর পশ্চিমবঙ্গে কাজ করার পর তিনি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের যুগ্মসচিব হিসেবে দিল্লিতে দায়িত্ব নেবেন। রবিবার তিনি দিল্লির উদ্দেশে রওনা হতে পারেন। সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই পদে কাজ করবেন তিনি।

কর্মজীবনের শুরুতে মুরুগন স্টেট ব্যাঙ্ক অফ মাইসুরুর প্রবেশনারি অফিসার ছিলেন। পরে তামিলনাড়ু পুলিশ সার্ভিসে ডিএসপি হিসেবে কাজ করেন। পশ্চিমবঙ্গে তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং টি বোর্ডের ডেপুটি চেয়ারম্যানের দায়িত্বও সামলেছেন। এসআইআরের সময় তিনি স্পেশ্যাল রোল অবজ়ারভারের দায়িত্ব পালন করেন।

আরও খবর