• ৭ কার্তিক ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
অসাফিলা লংজু ভারত চিন সীমান্ত

অরুণাচল প্রদেশের অসাফিলা ও লংজুতে ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল, সূত্রের খবর

অরুণাচল প্রদেশের অসাফিলা ও লংজুতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিয়ে ভারত ও চিনের ভিন্ন ধারণার কারণে মাঝে মাঝে টহলদারদের মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে পতাকা বৈঠক, হটলাইন যোগাযোগ এবং সামরিক স্তরের আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে বলে প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি।

অরুণাচল প্রদেশের অসাফিলা ও লংজুতে ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল, সূত্রের খবর

অসাফিলা লংজু ভারত চিন সীমান্ত

Published by: cloudtv-newsroom
  • Posted:October 24, 2026 9:00 pm
  • Update:October 24, 2026 9:00 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

অরুণাচল প্রদেশের তাকসিং সার্কেলের অসাফিলা ও লংজু সীমান্ত পকেটে ভারত ও চিনের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) সম্পর্কে ভিন্ন ধারণার কারণে মাঝে মাঝে টহলদারদের মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে।

পতাকা বৈঠক ও হটলাইন যোগাযোগে সামলানো হচ্ছে পরিস্থিতি

রুটিন টহলের সময় ভারতীয় ও চিনা বাহিনীর সদস্যদের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় স্তরে তৈরি হওয়া এই ধরনের পরিস্থিতি পতাকা বৈঠক, হটলাইন যোগাযোগ এবং অন্যান্য সামরিক-সামরিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সামলানো হচ্ছে। সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, দুই পক্ষের সামরিক কর্মীদের মধ্যে কোনও হিংসাত্মক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

একটি সূত্র বলেছে, “While Asaphila and Longju remain sensitive due to differing LAC perceptions, the overall situation is fully under control.”

উত্তর-পূর্বে উচ্চপর্যায়ের সামরিক যোগাযোগ

উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কর্পস কমান্ডার-স্তরের একটি যোগাযোগকে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা প্রাতিষ্ঠানিক করার দিকে পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা এবং অমীমাংসিত সীমান্ত-সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করার জন্য ধারাবাহিক সামরিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে সূত্রের বক্তব্য।

সীমান্ত এলাকায় পরিকাঠামো ও নাগরিক উদ্যোগ

সীমান্ত এলাকায় সর্ব-মৌসুমি সড়ক, সেতু, টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং নাগরিক পরিষেবা গড়ে তোলার উদ্যোগ চলছে। এই কাজগুলির লক্ষ্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, নিরাপত্তাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তা এবং নির্দিষ্ট নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনা তৈরি করা।

স্বাস্থ্য শিবির, জরুরি সরিয়ে নেওয়া, স্কুল নির্মাণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মতো নাগরিক-সামরিক উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

তসারি তীর্থপথের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব

তসারি তীর্থপথকে সীমান্তের দুই পাশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় গুরুত্বসম্পন্ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই পথে সীমান্ত পারাপার করে তীর্থযাত্রার সুযোগ তৈরি হবে কি না, তা নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ভারত-চিনের পারস্পরিক সম্মতির উপর নির্ভর করবে।

আরও খবর