• ২ কার্তিক ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
হুথিরা কারা

হুথিরা কারা এবং কেন তারা সৌদি আরবে হামলা চালাচ্ছে?

রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও খামিস মুশাইতের কিং খালিদ এয়ার বেসে হামলার দাবি করেছে হুথিরা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, রিয়াদের দিকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে।

হুথিরা কারা এবং কেন তারা সৌদি আরবে হামলা চালাচ্ছে?

হুথিরা কারা

Published by: cloudtv-newsroom
  • Posted:October 13, 2026 12:47 pm
  • Update:October 13, 2026 12:47 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

সৌদি আরবের রিয়াদ ও খামিস মুশাইতের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুথি আন্দোলন। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দাবি, রিয়াদের দিকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে। হামলার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আগাম সতর্কতা কেন কাজ করেনি, তা খতিয়ে দেখছে।

হুথিদের হামলার দাবি

হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া বলেছেন, একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘নির্ভুলভাবে আঘাত’ করেছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিম সৌদি আরবের খামিস মুশাইতে কিং খালিদ এয়ার বেসে একটি ড্রোনও সরাসরি আঘাত হেনেছে।

হুথিদের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলি ইয়েমেন থেকে রিয়াদে পৌঁছতে ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়েছে।

সৌদি জোটের পাল্টা বক্তব্য

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, রিয়াদের দিকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। জোটের বক্তব্যে হামলাকারী হিসেবে হুথি মিলিশিয়ার উল্লেখ করা হয়।

হুথিদের সফল আঘাতের দাবি এবং জোটের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ বর্তমানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আগাম সতর্কতা না পাওয়ার কারণ তদন্ত করছে।

হুথিরা কারা  ? দীর্ঘদিনের সংঘাতের প্রেক্ষাপট

হুথিরা নিজেদের ‘আনসার আল্লাহ’, অর্থাৎ ‘ঈশ্বরের রক্ষক’ বলে পরিচয় দেয়। আন্দোলনটি ১৯৯০-এর দশকে গড়ে ওঠে এবং ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে। বর্তমানে তারা উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

সৌদি আরব ২০১৫ সালের গোড়ায় হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের নেতৃত্ব দেয়। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। সাম্প্রতিক হামলাগুলিকে সৌদি বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হুথিদের ধারাবাহিক আক্রমণের অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

আরও খবর