খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করে রাষ্ট্রপতি শাসন শুরু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৪ ধারা প্রয়োগ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলাতে পিটিআই সরকার ব্যর্থ—কেন্দ্রীয় সরকারের এমন অবস্থানের কথাও প্রতিবেদনে রয়েছে।
ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআই কর্মী-সমর্থকদের মিছিল ও পদযাত্রা ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এই বিক্ষোভের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার খাইবার পাখতুনখোয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পিটিআই সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেছে। প্রদেশটি টিটিপি হামলায় বারবার বিপর্যস্ত বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখোয়ার গভর্নর ফয়সল করিম কুন্ডি জানিয়েছেন, যারা আইন হাতে তুলে নেবে, তাদের বিরুদ্ধে ‘আয়রন হ্যান্ডের’ মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার প্রতিবাদকারীদের জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
ইসলামাবাদের প্রধান সড়কগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং কনটেনার দিয়ে রাস্তা অবরুদ্ধ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অন্তত ২,০০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে। জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন পিটিআই চেয়ারম্যান গোহার আলি খান।
গোহার আলি খান এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন এবং একে ‘অগণতান্ত্রিকভাবে ভয়ংকর রাজনৈতিক ভুল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।