বুড়ি গান্ডাকি নদীতে হড়পা বান
রবিবার ভোর ৪টা নাগাদ নেপালের বুড়ি গান্ডাকি নদী ব্যবস্থায় হড়পা বানে বাড়ি, সেতু এবং নদীতীরবর্তী পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত ১০ জন এখনও নিখোঁজ এবং প্রায় ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গোরখা জেলার চুমচেতের কাছে একটি ধসের জেরে নদীতে সাময়িক বাধা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। সেই বাধা পরে ভেঙে গিয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটির কারণ সম্পর্কে এখনও প্রাথমিক পর্যায়ের তথ্যই রয়েছে।
বন্যার জল কাদা, পলি ও ধ্বংসাবশেষ নিয়ে নীচের দিকে নেমে যায়। এতে বাড়ি, সেতু, নদীতীরবর্তী পরিকাঠামো এবং একটি নির্মাণ শিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাল্লেরিতে ৩৪১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বুড়ি গান্ডাকি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সরঞ্জামও ভেসে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়।
নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া এবং অন্যত্র স্থানান্তরের কাজও শুরু হয়েছে। বুড়ি গান্ডাকি, ত্রিশূলী এবং নারায়ণী নদী ব্যবস্থার তীরবর্তী এলাকাগুলিতে জলস্তরের ওঠানামা ও ঝুঁকি বাড়ার বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
International Centre for Integrated Mountain Development (ICIMOD) জানিয়েছে, এই ঘটনা পাহাড়ি অঞ্চলে এক বিপর্যয় থেকে আরেক বিপর্যয় তৈরি হয়ে তার প্রভাব বাড়ার ঝুঁকি সামনে এনেছে। সংস্থাটির ডিরেক্টর জেনারেল পেমা গ্যামতসো বলেছেন, “While response efforts must remain the immediate priority, understanding what triggered this flood will be critical for reducing future risks and strengthening resilience,” অর্থাৎ, উদ্ধার ও ত্রাণ এখন অগ্রাধিকার হলেও বন্যার সূত্রপাত কীভাবে হল, তা বোঝা ভবিষ্যতের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ।